তুমি ভোরের মতোই স্নিগ্ধতায় ভরপুর
হুর মুর করে জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে পরা সোনালী রোদ্দুর
জীবন যখন পুরোপুরি ডুবে যেতে বসেছিলো
ক্লান্তি আর হতাশায়
ঠিক তখনই তুমি হৃদয় বন্দরে নোঙর ফেলেছো
দারুণ ঝটকায়
শীতের মিঠে রোদের মতো দিয়েছো প্রশান্তি
ফাগুন হাওয়ার মতো দূর করেছো ক্লান্তি
এই যে ভীষণ মরে যাই মরে যাই লাগে
যখন তখন তোমায় এমন পাবার ইচ্ছে জাগে
এইসব ভুলভাল ইচ্ছেরা যখন জেঁকে বসে
ভাগ্য তখন সহাস্যে ভাসে
মনে মনে ঠিকই বলি , সেসব কিছুই চাইনি আমার
ভাগ্য ফের মুখ টিপে হাসে
মাথা নিচু করে আলগোছে তোমাকে সরিয়ে রাখি
বলোতো ভোর, তা হয় কখনো! আবেগী মনের এতো এতো অনুভূতির ভার আর কতো বইবো একাকী!
রাত্রি ফুরোলে ভোরের আলো ফোঁটে, সকল নিস্তব্ধতা ভেঙে পাখিরা সরব হয়ে ওঠে।
শোনো ভোর, চাইছিনা কোনো প্রত্যুত্তর।
ভেবে পাই না, কি করে তোমায় বলি!
তুমি যেনো আমার ব্যথার মতো আপন
মধ্যরাতে হঠাৎ জাগা দীর্ঘশ্বাসের মতো গোপন
আমি সব ভুলে যাই, সব সব সব
কে বিদ্রুপে হাসলো কে কটাক্ষ করলো সে সব ভেবে আমার কি!
তোমার যতোটুকু আমি আবিষ্কার করেছি সেটুকুর অধিকারতো শুধুমাত্র আমারই
আমার মনের জোছনার ভাগ
কাউকে দিতে চাই না সেটুকু একান্তই আমার থাক।
আমি জানি ভোর, কারো চোখের জলে কবিতা লেখা যায়না
আমি লিখতেও চাইনা
তবু অবুঝ মন একটু আশকারা পেলেই জেঁকে বসে
আয়না হবে ভোর! হবে আমার মনের সকল বায়না!
ভোর, রাখবে আমায়! রেখে দেবে আপন করে!
খুব গোপনে মনের ঘরে
আমার সব মন খারাপ, উদাসীনতা কড়া রোদ
সব আপন করে নেবে ভোর!
যদি বা আপন না হও, তবুও কখনো পর হয়ো না
ভালোবেসো না ক্ষতি নেই, তবু কখনো কাউকে মিথ্যে ভালোবাসি বলো না।
Comments
First reader
You were first.
+0 XP
Yours is the first word this story has heard. Its writer will see it.
You also earned the First Reader honour.
-
-
শোনো ভোর, চাইছিনা কোনো প্রত্যুত্তর। ভেবে পাই না, কি করে তোমায় বলি! তুমি যেনো আমার ব্যথার মতো আপন মধ্যরাতে হঠাৎ জাগা দীর্ঘশ্বাসের মতো গোপন অনেক দারুণ লিখেছেন। আবৃত্তি করার মতো কবিতা। পড়ার সাথে সাথে কল্পনায় যেন দেখছিলাম।