ধূলোর নিচে পচে যায় বংশ আর খান্দান।
আকাশ আর হাসে না, কাঁদেও না।
এখানে সব বাপের নামে চলে।
বাপের খান্দানের নামে শাসন তোষণ।
বাজারের ঠোংগায় লেগে আছে শিশুর কান্না,
ডিসকাউন্টে জিতে নিন, গলা ছেড়ে কে যেন বলে যাচ্ছে মোড়ের মাইকে।
এ শহর গিলে খায় রক্ত,
এ শহরের ডায়াবেটিস হয়না।
সে শুধু সুগার খোঁজে, ব্যথা নয়।
ডিসকাউন্টে এখানে খুন করার চুক্তি করা হয়।
ইশতেহারের নিচে চাপা পড়ে গেছে
হাজারটা চাওয়া।
স্লোগানে কোন দাবী ছিলো না।
ছিল কেবল হাহাকার,
আর সেটাকেই অপরাধ বলে জানলো সরকার।
পুলিশের বুটে লেগে থাকে
মাছের ঝোল মাখা ভাত।
কোথাও একটা কৃষকের জিভ শুকিয়ে কাঠ,
একটু পানি দরকার।
আর আমাদের শহর?
সে হ্যাশট্যাগ করে, শেয়ার করে,
তবু কিছুতেই গন্ধ পায় না সে কোনো লাশের।
আমরা যারা এখনও নেশাগ্রস্থ থাকি কবিতায়,
মাইক্রোফোনের তার জড়িয়ে ধরে আমাদের গলা,
আমাদের অনেকেই নাম লিখিয়েছে নিখোঁজের তালিকায়।
আমরা সবাই একটি বাক্যই লিখছি,
এ সরকারে মানুষ নাই।
শুধু চেয়ারে বসাই ছিলো তাদের নির্বাচনের ম্যান্ডেট।
আহা, আমার চুতিয়া সিস্টেম!
তুই নিজেই একটা পাপ,
তোর কপালে লাথি মারি আমি।
(কবিতাটি আমার লেখা নিষিদ্ধ হয়েছিল আমার বন্ধু নামক কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া)