Story

মন থেকে ডাকলে ভগবান আসে (পাপি বাবা আর পন্ডিত ছেলে)

October 17, 2026

8 views

শ্রীধাম চন্দ্র সরকার

একটি গ্রামে বাস করত বাবুলাল নামে এক লোক। তার একটি ছেলে সন্তান ছিলো তার নাম মহনলাল তিন বছর বয়স। হঠাং বাবুলালের স্ত্রী ভিষণ অসুস্থতার কারণে মিত্রু ঘটে। বাবুলাল আনেক চিন্তা হলো। সে অনেক গরিব প্রতিদিন কাজ করে সংসার চলে তার। এতো ছোট ছেলে কীভাবে কী করবে। ছেলে অনেক ভালো বাসে। বাবুলাল তার ছেলেকে নিয়ে কাজে যেত। কিছুদিন পর। বাবুলাল তার ছেলেকে আস্রমে ভতি করে দেয়। ছেলে পরালেখা করে মহারাজিদের সাথে ভগবানের নাম ধ্যান করে। এভাবে বেশ কিছু বছর কাটে। ছেলে বড় হয়। ছলেও পন্ডিত হয়। বাবুলাল প্রতিদিন বাইরে কাজ করে। সে কোনোদিন কোনো ধমিয় অনুষ্ঠানে যায় না সুদু কাজ করে। মহনলাল বাবাকে কিছু বলে না। মহনলাল প্রতিদিন আস্রমে গিয়ে মানুষকে ধম বিষয়ে জ্ঞান দিত। এভাবে কয়েক বছর কাটে গেল। একদিন এক লোক ধমের নাম সুনতে আসেনি পরের দিন আসছে তাকে মহনলাল বলে কাল কেনো আসেন নাই। লোকটি সাবার সামনে যোর গলায় বলে। এবেটা তর বাপ তো পাপি একদিনো ধমের নাম করে না। তর পন্ডিত গিরি দেখতে আসেনি। তর বাপকে বলিস কালকে আসতে। না আসলে তার পরের দিন থেকে কেউ আসবে না। বলাই সবাই তার কথায় হে মত জানালো মহনলাল আলোচনা শেষ করে বাড়ি এলো এসে বলে বাবা তুমি কেনো কোনো ধম করনা কোনো ধামিক অনুষ্টানে যাও না কেনো। বাবুলাল বল্য বাবা আমি তো সারাদিন কাজে বেস্ত সন্ধায় বাসায় আসি ক্লান্ত লগে তাই জাইনা বাবা ভগবান সুদু কী ধম স্থানে থাকে। মহনলাল বলে সব সব স্থানে থাকে। বাবা কালকে তুমি যদি আশ্রমে না যাও তবে আস্রমে কেউ আসবে না। বাবা বলে কাল গিয়ে বলবি আমার বাবা অসুস্থ তাই আসে নি। পরের দিন মহনলাল আবার আস্রমে যায় সবাই বলে তনার বাবা কই? সে বলে আমার বাবা অসুস্থ তখল সবাই বলে কাল যদি না আসে তাহলে আমরা কেউ আসব না। তর বাপ তো পাপি কোনো ধম করে না তার ছেলের পন্ডিতি আমরা সুনব না। বাসায় আসে বলে বাবা তোমাকে কাল যেতে হবে নত সবাই আস্রমে কেউ আসবে না। বাবা কিছু না বলায় মোহনলাল রাগে বলে বাবা তুমি পাপি সবাই বলে আমি ভগবানের নাম ধ্যান করি আমি মরলে স্বগযাবা তমার নরকো থাই হবেনা। বাবুলাল বল্য বাবা তকে যখন সবাই জিজ্ঞেস করবে তুই বলিস আমার বাবা কালগিয়ে পসুদিন মারা যাবে আপনাদের সকলকে আসতে বলেছে। পারের দিন গিয়ে মহনলাল বলে। সবাই সারা সবার চোখে দেখল প্রতিদিনের মতো কাজকরছে রাত হলো বাবা ছেলে খাবার খেয়ে ঘমালো পরের দিন সকালে উঠে দেখল বাবা মারা গেছে। দেকে কান্দাকাটি। পাড়াপতিবেসি সবাই ভাবে তার বাবা আস্রমে আসে না দেখে মিছে কান্না করছে। তাই তারা কেউ এলো না এভাবে সন্ধা হলো। রাত হলো। মহোন লালের ভয় হলো পারাপতিবেশি কেউ না আসায়। ভাবলো মরাতো বাসায় রাখা যায় না পাসে জঙ্গলে রেখে আসি কাল সকালে মাটি দেব। এই ভাবে মহনলাল তার পিতাকে কাদে করে জঙ্গলের পাসে সুন্দর করে সাদা কপর দিয়ে ঢেকে রেখে এলো। কিছুখন পরে রাতে শিয়ালের ডাক কুকুর গলো ভুকছে। মহনলালের মন ছটপট করছে ভবে শেয়াল কুকুরের আমার বাবাকে খেয়ে ফেল্য নাকি। মহনলালএকটা সাথে হারিকেন নিয়ে ঈশ্বরের নাম জপছে জপতে বের হলো ভয়ও লাগছে একটু এগিয়ে দেখে জঙ্গলে অনেক আলো সে ভাবল তার বাবাকে জঙ্গলের ধারে রেখে এসেছে সে এগতে দেখে

কিছু সাদা কপর পড়া লোক তার বাবাকে সুন্দর করে সাজিয়ে বাসের পাল্কিতে করা নিয়ে যাচ্ছে। এদেখে মহনলাল দৌড়ে যেতে তারা পালকি কাঁদে নিয়ে হাঁটতে শুরু করে। মহনলাল দৌড়াতে দৌড়াতে হাপসে যাচ্ছে তবুও বাবার লাগাল পায় না। দেখে সাদা কাপড় পরা লোক গুলো তার বাবাকে পাল্কিতে করে নিয় হেটে যাচ্ছে সে দৌড়ে গিয়েও বাপের লগাল পায়না তখন বলে

মহনলাল বাবা তমাকে কারা নিয়ে যাচ্ছে আমাকে বলে যাও। ওরা কারা তোমার নিয়ে যাচ্ছে? আমি তমা লাগাল ধরব কীভাবে? এই বলে কাদে। তখন দেখে লোক গুলো দাদাহয় এবং বাবুলাল পেচন দিকে একটি ভাঙ্গা আয়না ছুড়ে দিয়ে বলে তর প্রশ্নের উত্তর আমার সাথে যেতে চাইলে এই আয়নার পেচনে কাউকে দেখলে তার কাছে মুরত হবি সে তকে বলে দিবে ও পথ দেখিয়ে দিবে। এই বলে বাবা চলে যায়। তখন বাবুলাল ঘর সংসার ছেরে তার বাবার দেওয়া আয়না নিয়ে বের হয় মানুষকে বারি ভিক্ষা করে খায় আবার আয়নার পেচনে দেখে আর যায় এভাবে প্রায় চল্লিশ পয়তাল্লিসতখন বছর কেটে গেলো একদিন সন্ধা বেলা এক বনের ধার দিকে যাচ্ছিল হঠাৎ আয়নার পেচনে এক মুছিদেখল তখন মহনলাল মুছির দিকে তাকাল দেখলো মুছি নদীর ধার থেকে

একটি ভাঙ্গা হারি মুছে নিয়ে এসে তাঁর সামনে একটি গাছের নিচে বসে ঝলা থেকে কলা, সাবু চিনি, দুধ, ঘি, আরো কিছু হরিটাতে ঢেলে কসলায় কসলায় মাখালো মুছির এই দেখে মহনলালের ঘিন্না এলো লোকটি খাচ্ছে তার মুখ দিয়ে বেয়ে খাবার হাড়িতে পরচ্ছে আর লোকটি বলচ্ছে আয় খাবি আয় বলে ডাকচ্ছে। এভাবে খাবার সেষের দিকে তখন মহনলালের মনে পড়ে বাবার কথা তখন দৌড়ে গিয়ে মুছির কাছ থেকে হারিটি কেরে নিয়ে চেটে পুটে খেল তখন সেই মুছি বলেএতখনে তর বাপের কথা মনেপরল। তখন মহনলাল মুছির পাচিপে ধরে কেঁদে বল্য আমার বপের করা নিয়ে গেছিল আমার বাবার লাগাল পাব কীভাবে? মুছি বলে তর এখন সময় হয় নি তর মন এখনো ভালো হয়নি তকে আরো অপেক্ষা করতে হবে। ঝলা থেকে একটি টেবলেট ওষুধ দিয়ে বলে উত্তরে একটি জমিদার বাহাদুর আছে তার কোনো সন্তান জন্মের না তাকে এই ঔষধ খাইয়ে দিলে তার একটি ছেলে সন্তান হবে সন্তান হলে পথমে তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলে সে সব বলে প্রশ্নর উত্তর দিবে। তখন মহনলাল জমিদার বাহাদুরের খোঁজে বের হয়। খোজতে প্রায় বছর শেষে জমিদার বাহাদুর এর খোজ পায়। তখন জমিদার বাহাদুরকে বলে জমিদার বাবু আপনার স্ত্রীর জন্য আমি ওষুধ এনেছি যা খেলে আপনার পুত্র সন্তান প্রাপ্ত হবে। জমিদার বলে এত এত কবিরাজ ডাক্তার এর ওষুধ খাওয়ালাম তবুও চমার সন্তান হলোনা তমার কথা কীভাবে বিশ্বাস করি তখন মহনলাল বলে আপনার স্ত্রীর যতদিন সন্তান জন্মহবে না তত দিন আমি আপনার বাড়ি কাজের লোক হয়ে থাকব। কিন্তু একটা সত্য সন্তান জন্মের পর একটা ঘরে রাখবেন প্রথমে আমি আপনার সন্তান কপ একনজর দেখব। রাজা বলে ঠিক আছে। রানি ওষুধ খায়। কয়েক মাস জমিদারের স্ত্রী পয়াতি হয় এই দেখে জমিদার খুব খুশি। জমিদার বাহাদুর মহোনলাল সাধু বলে। তাকে বাসায় অতিথি হিসেবে রাখে। এভাবে দিন কাটে। জমিদারের বাচ্চা হলো জমিদার সাদুর নিয়োম অনুসারে কেউ না দেখার আগে একটি ঘরে বাচ্চাকে রাখলো। মহনলাল সাদু ঘরে ঢুকে দেখে সেই ছোট বাচ্চা বিচ্ছনায় বসে হাসচ্ছে এদেখে অবাক। মহন লালকে বলে কীরে তই তোর বাবাী বিষয় জানতে এসেছিস মহনলাল বলে হে। তখন ঐ ছোটো বাচ্চা বলে ওরে বকা তুই এতুটুকো জানিস না তোর বাবা ছিল ধামিক সে কাজ করার সময় ভগবানকে ডাকে। সে

সারা দিন কাজ করত ও সবসময় ভগবানের নামজপত। সতপথে চলে সত্য কথা বলত। তাই বাবুলালের সতকাজে কেউ না আসায় ভগবা বাবুলালকে নিজের কাছে নিয়ে জয়া। এই বলে বাচ্চাটা আবার সুয়ে পড়ে। তার পারে মহনলাল বুঝলো সুধু

Picked up where you left off

Comments

Be this story’s first reader

+30 XP

Nobody has commented yet. Sign in, read it, and be first with a thoughtful comment to earn the bonus.

Sign in to claim

    Please login to post comment. Login