আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ৪৯তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা শুরু হয়েছে। অথচ চলতি বছরও এই বইমেলায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি বাংলাদেশের প্রকাশকরা। ২০ জানুয়ারি, কলকাতা বইমেলার আয়োজক পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চ্যাটার্জি জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই মেলায় যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হলেও তারা এতে অনুমতি দেননি।
ত্রিদিব চ্যাটার্জি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের তরফে এবার মেলায় যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু আমরাই তাদের যোগ দিতে দিচ্ছি না। ভারত-বাংলাদেশের এখন যা সম্পর্ক, তাতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত ছাড়া বাংলাদেশকে মেলায় যোগদান করার ছাড়পত্র দিতে পারছে না গিল্ড। সেই সবুজ সংকেত আসেনি, তাই বাংলাদেশ মেলায় থাকছে না।’
এদিকে এবারের বইমেলায় যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কলকাতায় বাংলাদেশের উপদূতাবাসের সূত্রগুলো।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই বছর ধরে কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশের কোনো প্যাভেলিয়ন থাকছে না। তবে এর আগে ১৯৯৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত একটানা অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশি লেখকদের বইও বিক্রি হতো অনেক।
উল্লেখ্য, ২২শে জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই বইমেলা চলবে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের বইমেলার ফোকাল থিম কান্ট্রি আর্জেন্টিনা। এই বইমেলায় অংশ নিচ্ছে ২১টি দেশ।