অধ্যায় ১: নতুন ক্লাস
ঢাকার একটি স্কুলের নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল তানভীর। প্রথম দিনেই তার চোখে পড়ে নতুন ছাত্রী মাহিমা। মিষ্টি হাসি ও নম্র ব্যবহার তাকে আকৃষ্ট করে। কিন্তু তানভীর ছিল লাজুক, তাই সরাসরি কথা বলার সাহস পায়নি।
অধ্যায় ২: বন্ধুত্বের সূচনা
দিন যেতে থাকে, তানভীর ও মাহিমা একে অপরকে আরও ভালোভাবে জানে। একদিন, টিফিনের সময় তানভীর সাহস করে মাহিমাকে তার পছন্দের বই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। মাহিমা হাসিমুখে উত্তর দেয়, এবং তাদের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
অধ্যায় ৩: একসাথে সময় কাটানো
স্কুলের পর, তানভীর ও মাহিমা একসাথে হোমওয়ার্ক করে, বই পড়ে এবং মাঝে মাঝে পার্কে হাঁটতে যায়। তাদের বন্ধুত্ব আরও গভীর হয়, এবং তারা একে অপরকে জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে থাকে।
অধ্যায় ৪: অনুভূতির উন্মেষ
একদিন, মাহিমা হঠাৎ করে তানভীরকে বলে, "তুমি জানো, আমি তোমার সাথে সময় কাটাতে খুব ভালোবাসি।" তানভীর কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলে, "আমি ও তোমার সাথে সময় কাটাতে ভালোবাসি, কিন্তু আমি জানি না এটা প্রেম কিনা।" মাহিমা হাসে, "হয়তো, হয়তো না।"
অধ্যায় ৫: চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ
একদিন, মাহিমা একটি চিঠি লিখে তানভীরকে দেয়, যেখানে লেখা ছিল, "তুমি কি জানো, আমি তোমার সাথে সময় কাটাতে ভালোবাসি।" তানভীর চিঠিটি পড়ে, এবং তার হৃদয়ে একটি অদ্ভুত অনুভূতি জাগ্রত হয়।
অধ্যায় ৬: সম্পর্কের পরিণতি
চিঠির পর, তানভীর ও মাহিমার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। তারা একে অপরকে আরও ভালোভাবে বুঝতে পারে, এবং তাদের মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা একে অপরকে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সমর্থন দেয়।
অধ্যায় ৭: সময়ের পরিবর্তন
এসএসসি পরীক্ষার পর, তানভীর ও মাহিমা ভিন্ন কলেজে ভর্তি হয়। দূরত্ব তাদের সম্পর্ককে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে, কিন্তু তারা একে অপরকে নিয়মিত মেসেজ ও ফোন কলের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখে। তাদের সম্পর্কের শক্তি তাদের ভালোবাসার গভীরতা প্রমাণ করে।
অধ্যায় ৮: জীবনের নতুন অধ্যায়
কলেজের পর, তানভীর ও মাহিমা নিজেদের ক্যারিয়ারে প্রতিষ্ঠিত হয়। তারা একে অপরকে সমর্থন করে, এবং জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে একে অপরের পাশে থাকে। তাদের সম্পর্কের শুরুটা ছিল স্কুল জীবনের একটি ছোট্ট ভালোবাসা, কিন্তু সময়ের সাথে তা পরিণত হয় একটি শক্তিশালী বন্ধনে।