Posts

গল্প

গল্প:সাইরেন হেড#

July 19, 2025

গল্পের সমারোহ

Original Author রিজন হোসেন অনিক

Translated by বাংলা

158
View
গল্প:সাইরেন হেড


আজ প্রায় দশ বছর পর জেল খেটে বাড়ি ফিরছি,আমার অপরাধ আমি আমার সবচেয়ে কাছের ৩ জন বন্ধু আর আমার মনের মানুষ মায়া কে বেরোহম ভাবে খুন করেছি এই মিথ্যা অপরাধের বোঝা বুকে বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছি আমি।চলুন তাহলে প্রিয় দর্শক আসলে কি ঘটেছিলো সেদিন আপনাদেরকে বলি আমি রানা আর ৫ টা ছেলের মত আমার জীবন টাও ছিল আনন্দে হাসিখুশিতে পরিপূর্ণ কিছুর অভাব ছিল না আমার জীবনে  পড়ালেখা,জিম যাওয়া,বন্ধুদের সাথে আড্ডা সব মিলিয়ে ভালই কেটে যাচ্ছিলো আমার দিন।আমার চার জন বেষ্টফ্রেন্ড ছিল মায়া,বাশার, সাকিল,ও রবিন তারমধ্যে মায়াকে আমি মনে মনে পছন্দ করতাম আর মায়া সবসময় আমাকে ইগনোর করত কারন আমি নাকি একটু বোকা টাইপের তাই। ঘুরতে যাওয়ার ব্যাপারে আমাদের ৫ জনের জুরি মেলা ভার আর বদমাসিতেও হঠাৎ সাকিল কোথা থেকে যেন দৌড়ে এসে বললো তোদের সবার জন্য একটা জব্বর নিউজ আছে সবাই কৌতুহলি হয়ে বললাম কি রে!?কি খবর সাকিল বললো: আমরা ৪ দিনের জন্য কানাডা ব্লাক ফরেষ্টে হ্যাংআউটে যাচ্ছি খুব মজা হবে সবাই খুশিতে নেচে উঠলো,আর সেখান থেকেই আমার জীবনটা ওলোটপালট হয়ে গেল।ওরা সবাই খুব খুশি কিন্তু আমি মোটেও খুশি হতে পারছিলাম না কারণ ক্যানাডার এই জংগল সম্পর্কে আমি ইন্টারনেটে অনেক বদনাম শুনেছি,জায়গাটা নাকি ভাল নয় সেই জায়গাটি নাকি বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছে আত্নহত্যা করার জন্য একটি আর্দশ স্থান বলা চলে অনেক দেশ থেকে মানুষ নাকি শুধু ওইখানে আত্নহত্যা করার জন্য যায় এছাড়া জংগলে ঢোকার সময় নাকি চোখে পড়ে গাছের সাথে সাইনবোর্ড এ লেখা আত্নহত্যা করার আগে নিজের পরিবারের কথা ভাবুন।একটা ব্যাপার আমার সত্যিই বোকা বোকা লাগছে মরার জন্য,এতদূর আসারই বা কি দরকার পৃথিবীতে মরার জায়গার অভাব পরেছে নাকি এছাড়া সেখানকার পুলিশও নাকি সেখানে যেতে বাধা দেয় তাই সেখানে গেলে পালিয়ে

যেতে হবে ওরা তো খুব খুশি কিন্তু আমার ওমন একটা স্থানে যেতে মোটেও মন মানছে না যেখানে শুধু ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মানুষের মৃত দেহ আর তাদের জিনিস পত্র। সাকিলকেও বলি হারি যাই ব্যাটা আর হ্যাংআউটে যাবার যায়গা খুঁজে পেল না?পৃথিবীতে এত যাবার জায়গা থাকতে কিনা ওমন একটা জায়গা বেছে বের করতে হলো ওকে জায়গার কি আকাল পরেছিলো নাকি মনে মনে বললাম আর বাকিরাও হয়েছে তেমন যেই না ও বললো ওমনি নাচতে নাচতে সব রাজি হয়ে গেল যেন উঠলো বাই পটক যাই ব্যাপার হুমহ!আমি শুনে তখনি সাফ না করে দিলাম যে ওমন একটা জায়গায় আমি হ্যাংআউটে আমি যাচ্ছি না কিন্তু সবাই একবাক্যে বললো আমরা সবাই যখন যাচ্ছি তার মানে তুইও আমাদের সঙ্গে যাচ্ছিস ব্যাস কথা এখানেই শেষ!আর তখন মায়া হঠাৎ হেসে বলে উঠল রানা তুমি না আসলেই খুব ভিতু প্রকৃতির।কি আর করার মায়ার সামনে নিজের মান সম্মানের রক্ষার্থে একপর্যায়ে যেতে রাজি হয়ে গেলাম ভাবলাম যেতেই যখন হবে তাহলে জায়গাটা সম্পর্কে ইন্টারনেট থেকে আরো ভালভাবে জেনে নেওয়া যাক।কিন্তু গুগলে সার্চ করে যা দেখতে পেলাম সেটা দেখে আমার চক্ষু যেন চরকগাছ হয়ে গেল দেখলাম কানাডার ব্লাক ফরেষ্টে আত্নহত্যার বদনামটার পাশাপাশি আরেকটা খারাপ ব্যাপারও আছে সেখানে সাইরেন হেড নামক এক দানবের বসবাস লম্বার উচ্চতা ৬০ ফুট,গলা থেকে পা অব্দি মানুষের মতই দেখতে দেখে যে কেউ প্রথমে লম্বা থাম বা,লোহার ল্যাম্পপোস্ট ভেবে ভুল করবে,আছে ধারালো নোখ বিশিষ্ট দুটি হাত আর আছে অসংখ্য জঙে ভরা লোহার শরীর সাইরেন হেডের সবচেয়ে ভয়ানক দিক হচ্ছে এর মাথা নেই তার বদলে লাগানো আছে ১ জোরা সাইরেন বা মাইক যা দিয়ে সে নানারোকম আওয়াজ বের করে সবকিছুকে তার দিকে আকৃষ্ট করে।সাইরেন হেড সবসময় ফাকা যায়গায় বা জংগলাপূর্ণ এলাকায় থাকতে পছন্দ করে কারণ যাতে কেউ তাকে বিরক্ত।
না করে,লোকমুখে শোনা যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাকি ততকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিটলারের সেনাবাহিনী সেখানকার লোকজনদের আটকে রেখে অনেক নিজ্জাতনের পাশাপাশি অনেক অমানবিক এক্সপেরিমেন্ট করত ততকালীন বিজ্ঞানীদের ভুল একটি এক্সপেরিমেন্ট এর দরুন নাকি সাইরেন হেডের জন্ম,এই দানব জন্ম নেবার পর নাকি সে সবাইকে মেরে সেখান থেকে জংগলে পালিয়ে যায় সেই থেকে সাইরেন হেড হয়ে গেল একটি আরবান লিজেন্ড। জানি না এই ঘটনাটি কতটুকু সত্য কিন্তু ২০২১সালের এত এডভান্স সময়ে দাড়িয়ে দানবের মত একটা কিছু এই পৃথিবীতে আছে সেটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হবার পাশাপাশি খুব ভয় ও করেছে,এটা ভেবে যে সেখানেই আমরা হ্যাংআউটে যাচ্ছি যেখানে ওই ভয়ানক দানব টার বসবাস শুনেছি ওইখানে গেলে সচরাচর কেউ বেচে ফিরতে পারে না।ভাগ্য করে খুব কম লোকই আছেন যারা ওইখান থেকে বেচে ফিরেছেন কিন্তু তাদের অবস্থা ও খুব একটা ভাল নয়।আমি গিয়ে সবাইকে কথাটা জানাতেই ওরা সবাই আমার দিকে তাকিয়ে ভ্যাগ,ভ্যাগ করে হেসে উঠলো আর বললো আরে ধুর!এসব দানব-ঠানব বলতে কিছু হয় না বুঝলি আর নেটে এমন ফেইক নিউজ আজ কাল বহুত আছে তাছিল্যের স্বরে বললো কথা টি সাথে মায়াও দেখলাম ওদের সাথে তাল মিলিয়ে মুখটিপে হাসছে আর বলছে রানা তুমি আসলেই একটা ভিতুর ডিম আমর তো মনে হয় আমি একজন মেয়ে হয়েও মনে তোমার থেকে বেশী সাহস রাখি।ওদের ওমন তাছিল্যের হাসি দেখে আমার গা জ্বলছিলো মানছি নাহয় আমার সাহস একটু কম তাইবলে ওভাবে হাসতে হবে নাকি আমি আর কথা না বাড়িয়ে বাড়ি চলে আসলাম,আর পরদিনের প্যাকিং করে নিলাম আর আমরা সবাই যার যার পরিবার থেকে বিদায় নিয়ে চললাম ক্যানাডার সে ব্লাক ফরেষ্টের উদ্দেশ্যে কিন্তু কে জানত এটাই ওদের শেষ বিদায় হতে যাচ্ছে।বিমানে করে পৌঁছে গেলাম ক্যানাডায় এবং একটি হোটেলে উঠলাম রাতটা কাটানোর উদ্দেশে।
ওরা আনন্দ করছে হুল্লোর করছে কিন্তু আমার মন থেকে সেটা আসছে না বরং আমার টেনশন হচ্ছে বাশার বললো:কিরে দোস্ত টেনশনে আছিস মনে হচ্ছে? ওই দানবটার ব্যাপারে ভাবছিস? ও come on give me a break man!!সাইরেন হেড বলতে কিছুই নেই ভাই চল আমাদের সাথে ইনজয় করবি চল!আমি সেখান থেকে উঠে বাইরে চলে এলাম আর অস্ত্রাগারের সপিং মলে চলে গেলাম কানাডিয়ান মহিলাটি আমায় জিজ্ঞেস করলো আমার কোন ধরনের অস্ত্র চাই? আমি বললাম আমি কাল ব্লাক ফরেষ্টে হ্যাংআউটে যাচ্ছি এ কথা শুনতেই মহিলাটি আমার হাত ধরে হির হির করে টানতে টানতে তার স্পেশাল অস্ত্রাগারে নিয়ে গেলেন এবং সেখানকার সব এডভান্স অস্ত্রগুলো দেখালেন আমি,A180 ক্যালিভারের সিনাইপার গান, Ak407,8ব্যারেল বিশিষ্ট মেশিনগান আর ১ ছড়া সাধারণ গ্রেনেড আর আরেক ছড়া ম্যাগনেটিক গ্রেনেড নিলাম সাথে ট্রেন্ড পোতার জন্য ২ খানা মোটা রডের সাবোল।তারপর হোটেলে ফিরে এলাম ওরা সবাই জিজ্ঞেস করল আমি কোথায় গিয়েছিলাম আমি একবাক্যে বললাম কোথাও না।তারপর দিন সকালে আমরা সবাই গাড়িতে উঠলাম ওখানে যাবার উদেশ্যে,আর আমি সমস্ত অস্ত্র আর মিলিটারি ড্রেস গাড়ির ডিকিতে রাখছিলাম তখন সবাই এসব দেখে বলে উঠল আমরা যাচ্ছি ওখানে ঘুরতে আর আমাদের বীরপুরুষ রানা ওখানে যাচ্ছে ওই দানবটার সাথে যুদ্ধ করতে তা হ্যাঁরে তুই যে ভীতু আবার ওটাকে সামনে দেখে পালিয়ে যাবি না তো ভাই হে হে হে!আর মায়া বললো যাক বাবা ফ্রিতে একটা বডিগাড অন্তত পাওয়া গেল ভীতু বডিগাড হি হি হি!বলা বাহুল্য সব বন্ধুদের মধ্যে আমিই শুধু একটু ভীতু প্রকৃতির তাই ওদের কথায় কান দিলাম না।তারপর আমরা সবাই গাড়ি করে সেই জংগলে পৌঁছে গেলাম সেখানে গিয়ে একটা ভাল জায়গা খুঁজে রাতে শোবার জন্য যার যার তাবু খাটিয়ে ফেললাম এবং সন্ধ্যা হতেই ফায়ার ক্যাম্পিং করলাম তারপর সেখানে গান বাজনা হাসি আড্ডা।
এভাবেই কেটে গেল ৩ টি দিন এই ৩ দিনে সাইরেন হেডের কনো দেখাই মিললো না সবাই বলতে লাগলো দেখেছিস আমরা সবাই আগেই বলেছিলাম সাইরেন হেড বা দানব বলতে কিছুই হয় না ইন্টারনেটে ওসব সব ফেইক নিউজ তখন মায়া বললো আরে সাইরেন হেড বলতে যদি আদোও কিছু থেকে থাকতো তাহলে এতদিনে কি সেটা আমাদের সামনে আসতো না বা দেখতে পেতাম না? বাশার বললো দেখলি, তুই শুধু শুধু এত গুলো অস্ত্র সস্ত্র এখানে কষ্ট করে টেনে নিয়ে এলি,ওদের কথা শুনে এখন সত্যিই  মনে হচ্ছে সাইরেন হেড বলতে কিছুই নেই কিন্তু আমাদের সবাইকে অবাক করে দিয়ে সেদিন রাতে গভীর জংগলের মাঝখান থেকে সাইরেন হেডের সাইরেন এর আওয়াজ ভেসে এলো,আমি শুনেই বুঝতে পারলাম এটা সেই দানবটির আওয়াজ সবার আনন্দ মুহুর্তেই মাটি হয়ে গেল আর ভয় এসে চুপিচুপি জড় হলো মনের তলায় দেখলাম ভয়ে মায়ার মুখ ফ্যাকাসে হয়ে গেছে আর শব্দটিও যেন ক্রমেই বেড়ে তীব্র হচ্ছে মনে হচ্ছে দানবটি খুব কাছে চলে এসেছে কিচ্ছুক্ষণ পর দেখলাম অদূরেই দানবটির সাইরেন দেখা যাচ্ছে।সবাই একদৌঁড়ে গাড়িতে গিয়ে বসলাম রবিন গাড়ি স্ট্রাট করে গাড়ি ছোটালো আমারা যখন জংগলের রাস্তা দিয়ে অবিরাম গতিতে ছুটছি হঠাৎ দানবটি কোথা থেকে  সামনে চলে এলো আর  গাড়িটিকে শূন্যে উলটে দিল রবিন আর মায়া সামনে থাকায় রবিন খুব খারাপ ভাবে যখম হলো আর মায়া মাথায় আঘাত পাবার কারণে স্পট ডেড,সেখানেই মারা গেল।রবিন,বাশার আর সাকিল গাড়ি থেকে কনো মতে বের হয়ে বাচার উদ্দেশ্য এদিক সেদিক ছুটতে লাগলো আর দানবটি ওদের পিছে পিছে গেল,আর আমি মায়াকে বের করে দেখলাম মায়া আর বেচে নেই।মায়াকে বুকে জরিয়ে তীব্র আর্তনাদে ফেটে পরলাম আমি। মায়ার লাশকে কাধে করে নিয়ে তাবুতে ফিরে এলাম আর তার কিছুক্ষণ পরই শুনতে পেলাম বাশার আর সাকিলের মৃত্যুর যন্ত্রণাদায়ক চিৎকার সে চিৎকারের আওয়াজ এখনো আমার কানে ভাসে ।  
হঠাৎ যেন রবিন কোথা থেকে দৌড়ে এসে বললো কাদো কাদো অসহায় কন্ঠে দোস্ত সাকিল আর বাশারকে দানবটা আমার চোখের সামনে খেয়ে ফেলেছে আমি ওদের বাচাতে পারলাম না দোস্ত আমি রবিনকে বুকে জরিয়ে অশ্রু ভরা চোখে বৃথা সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলাম আর বললাম এসেই যখন পড়েছি হয় আজ এই দানবের গল্প শেষ করে এখান থেকে যাবো নয়তো নিজে ইতিহাস হয়ে যাবো এই নে মেশিন গান আর আমি সিনাইপার গান নিলাম আসলে অস্ত্র গুলো সব তাবুতে ফেলে গেছিলাম রবিন আমার এই সাহস দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো আর বলল তোর এত সাহস আমি কখনো দেখিনি আমি বললাম ওই দানবের জন্য আমার মায়া আমাকে ছেড়ে চলে গেছে,বলতে বলতেই সেই সাইরেনের শব্দ আবার শুনতে পেলাম রবিনকে বললাম প্রস্তুত হ দোস্ত ও আসেপাশেই আছে,কারন আমি জানি সাইরেন হেড খুব বুদ্ধিমান দানব,আসলে মানুষের মত দেখতে কি না,তারপর হঠাৎ সেখানে সাইরেনের হেড চলে এলো,শুরু হলো তুমুল যুদ্ধ আর গুলি বর্ষন আমার এখনো শব্দগুলো কানে বাজে মেশিন গানের হাজারো ম্যাগাজিনের হাজারো গুলির কারতুজ ছোড়া হয়েছিল সেদিন আমি ও একটার পর একটা অস্ত্র থেকে গুলি ছুড়ে যাচ্ছি।হঠাৎ রবিনের মেশিন গানের গুলি শেষ হয়ে গেল আর দানবটি রবিনকে খেতে যাবে ঠিক সেসময় আমি ওকে কাভার ফায়ার দিচ্ছিলাম তখন দানবটা আমাকে তার হাতের ঝামটায় কিছুটা দূরে মাটিতে আছড়ে ফেললো আর রবিনকে মুখে পুরে নিল।আমি কিচ্ছু করতে পারলাম না রাগে ক্ষোভে একটা গ্রেনেড এর পিন খুলে মেরে দিলাম সেই শব্দে পালিয়ে গেল দানবটি।অসহায় হয়ে ঠায় কাদতে লাগলাম আমি কারন আমি এখন পুরো জংগলে একা রাতে একা তাবুতে বসে আছি সামনে মায়ার লাশ ওরা যে কেউই আর বেচে নেই আমার বিশ্বাস হচ্ছে না যে বন্ধু সব পরিস্থিতি তে আমার সাথে থাকত আজ সেও নেই মারা গেছে ভেবেই মনের ভেতরটা কেমন মোচড় দিয়ে উঠছে রাগে ক্ষোভে কষ্টে একটা বড় অগ্নিকুণ্ড জ্বাললাম কারন আমি জানি সাইরেন হেড আমাকে খেতে নিশ্চয়ই আবার আসবে কারণ একজন মানুষ বেচে থাকতে ও শান্তি পাবে না দেখলাম দানবটি সত্যিই এসেছে আমার হাতে ২ ছড়া গ্রেনেড আর  দু হাতে মোটা রডের দুটি সাবোল বুক ফুলিয়ে দাঁড়িয়ে আছি আজ দানবটির সাথে লড়বো বলে আজ দানবটিকে দেখে ভয় লাগছে না বরং রাগ হচ্ছে কারণ ও আমার সব বন্ধুদের চোখের সামনে মেরে ফেলেছে তাই আমি হুংকার দিয়ে বলে উঠলাম আজ না হয় আমি থাকবো আর না হয় তুই থাকবি এই সাইরেন হেডকে আমি ছাড়বো না হা!!!!"হুংকার দিয়ে এগিয়ে যেতে লাগলাম দানবটিও এগিয়ে এসে আমাকে একহাতে চেপে ধরে মুখের কাছে নিলো খাবার জন্য আর আমি সাথে সাথেই একটি রড ওর মুখের মাঝ বরাবর লম্বালম্বিভাবে গেড়ে দিলাম আর গ্রেনেডের ছড়াটা ওর মুখে পুরে দিলাম আর অন্যহাতের রডটা দিয়ে ওর হাতের খাজে জোরে একটা চাপ দিতেই ওর হাতের চেপে ধরা আলগা হয়ে গেল আর দানবটি তখন আমাকে ছেড়ে দিলো নিচে পরেই ওর হাটুতে ম্যাগনেটিক গ্রেনেড ছুড়ে মেরে দিলাম আর গ্রেনেডটি গিয়ে এটে বসে গেল আর আমি উঠে দূরে ছুটতে লাগলাম দেখলাম দানবটিও আমার পিছে ছুটে আসছে কিছুক্ষণ পর বিকট একটা বিষ্ফোরনের আওয়াজে আর ধাক্কায় আমি উড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়লাম কিছুক্ষণ পর সব চুপচাপ  বুঝতে আর বাকি রইলো না সাইরেন হেড নামক দানবের গল্প শেষ।

Comments

    Please login to post comment. Login