ঘটনাটা অনেকদিন আগের। দিনটি ছিলো শুক্রবার। জুমু'আর দিন। কি যেন একটা ঝামেলায় পড়ে জুমু'আর নামাজ মিস হয়ে গেলো।
কি আর করা। ভাবলাম, জোহরের নামাজ পড়ে নিই৷
বাধ সাধলো আরেকজন। সে বললো, জুমু'আর দুপুরে দিন অন্য কোন নামাজ হবেনা। যেহেতু জুমু'আ মিস করেছি,তাই আমার নামাজ নেই।
কি আর করা যাবে?
মনে কষ্ট নিয়ে বসে পড়লাম। সেদিন আর জোহরের নামাজ পড়লাম না।
কিন্তু পড়ে জানলাম, আমি ভুল করেছি। আমার জোহরের নামাজ পড়া উচিত ছিলো। বুঝতে পারলাম, উল্টাপাল্টা কারো কথা শুনলে কি ফল হতে পারে।
পরের ঘটনা রজমান মাসের। আমার ভাগিনা রোজা রাখেনি। তবে প্রস্তুত হয়েছে এশা আর তারাবির নামাজ পড়তে মসজিদে যাবে।
কিন্তু আমার আম্মা বলে উঠলেন,"যে রোজা রাখেনা তার আবার তারাবি কিসের?"
এই কথা শুনে সে আর এশা বা তারাবি পড়তে মসজিদে গেলোনা। কিন্তু এখন জানি, রোজা এবং নামাজ দুটো আলাদা ইবাদত। একটার সাথে আরেকটির কোন শর্ত জড়ানো নেই। তাই রোজা না রাখলেও নামাজ পড়তে হবে। এমনকি তারাবির নামাজও।
বুঝতে পারলাম, আমাদের মাঝে অনেকেই নিজে না জেনে অনেক কথা বলে বসেন। এসব কথা নিজের গুনাহের কারণ হয়। আবার আরেকজনের জন্যেও গুনাহের কারণ হয়।
তাই ভালো করে না জেনে কিছু বলার বিষয়ে সবাই সাবধান।
14
View