সেদিন দেখলাম শায়খ আব্দুর রাজ্জাকের কাছে একজন জানতে চাইলেন, যে তার বাবা অসুস্থ। তার জন্য কোরান শিক্ষা করা ফরজ কি-না।
উত্তরে শায়খ বললেন যে, কোরান শিক্ষা করা মৃত্যু শয্যায়ও ফরজ। এটা আমাদের মাঝে খুব মানুষই অনুভব করতে পারেন।
দেখছিলাম একটা প্রশ্ন অনলাইনে ঘুরাফেরা করছে। সেটা হলো, মৃত্যুর পর কবরে কয়টি প্রশ্ন করা হবে? ৩টি নাকি ৪টি?
মরহুম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ:) এই প্রশ্নের খুব সুন্দর করে জবাব দিয়েছেন। তার শিষ্য শায়খ আহমাদুল্লাহ (হাফি:) ও কম কথায় খুব সুন্দর ব্যাখ্যা করেছেন।
কবরে মৃত ব্যক্তিকে প্রথমত তিনটি প্রশ্নই করা হবে। যে দিনের উপর চলবেনা, সে কিছুতেই সেসব প্রশ্নের উত্তর পারবেনা, এমনকি মৃত্যুর আগে মুখস্থ করলেও না।
আবার যে তিনটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিবেন, তার জন্য থাকবে চতুর্থ প্রশ্ন। সে প্রশ্নটি করা হবে প্রথম তিনটি প্রশ্ন সম্পর্কেই৷
ফেরেশতারা জানতে চাইবেন, কোথা থেকে ওই তিনটা প্রশ্নের উত্তর তিনি জানলেন। মৃত ব্যক্তি উত্তরে বলবেন, যে কোরান-হাদিস থেকে। তাকে সেক্ষেত্রে তাকে সৌভাগ্যবান বলতেই হয়। অপরদিকে যে ব্যক্তি কোরান-হাদিস পড়াশোনা করেনি বা কোরান-হাদিসকে ভালোবাসেনি সে বলবে, সে মানুষের কাছে শুনেছে।
এমন ব্যক্তিকেও শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে।
আসলে মানব জীবন কিভাবে পরিচালিত হবে তার ম্যানুয়াল হলো কোরান-হাদিস৷ আমরা তা অধ্যয়ন করিনা বা করার চেষ্টা করিনা।
তারপর আবার বুঝে না বুঝেই আলেমদের দোষারোপ করি। নিজে পড়াশোনা করলে তো কেউ আমাদের বিভ্রান্ত করতে পারতো না। এমনকি শয়তানও আমাদের কাছে ব্যর্থ হয়ে যেতো।
আমাদের অবশ্যই নিয়মিত কোরান-হাদিস বুঝে বুঝে অধ্যয়ন করা উচিৎ।
তারপর আল্লাহ এবং তার রাসুল (সা:) এর নির্দেশমতো চলার চেষ্টা করা উচিৎ।
8
View