লেখকের সব লেখা পড়তে,
https://fictionfactory.org/contributor/4237
সাইকেল জিন
কয়েকবছর আগের কথা। গ্রামের ঘোরতর বর্ষা। আমাদের বাড়ি পাকা হলেও উপরে টিনের চাল। সেই টিনের সম্ভবত ৩ জায়গায় ছিদ্র হয়েছে । পানি পড়ে। হালকা বৃষ্টিতে পড়ে না। ভাড়ি বর্ষনে পানি পড়ে ঘরের মেঝে ভরে যায়। টিনের চালের বয়স ১৫ বছর পেরিয়েছে। তার উপর টিনের চালের উপরেই মেহগনি গাছ কয়েকটা। সেই গাছের ফল পরে ধুপ ধাপ। টিন যায় ভেচকে। ছিদ্র তো হবেই। নতুন মানুষ কেউ এসে রাতে থাকলে ভেবে বসতে পারে ভুত ঢিল দেয় কি না। যাই হোক। এরকমই এক বর্ষার রাতে হয়ত টিনের চালে চতুর্থ ছিদ্র হলো। সেটা দিয়ে পানি পরে একটা বালিশ পুরোপুরি ভিজে গেল। আমি টেরই পেলাম না। বালিশটা ছিল খাঁটি শিমুল তুলার । পরদিন ভেজা বালিশ দেখে আমার মা আহত হলেন। দিনে সেই বালিশ পুরোপুরি খোলা হলো। তুলা শুকাতে দিতে হবে। তুলা ঘাটতে গিয়ে যা বের হলো তা দেখে আমাদের সবার চোখ হয়ে গেল বড় বড়। এটা কী? ছোট একটা কাগজ। লাল কালিতে কিছু আরবি শব্দ লেখা। যের যবর নেই। পড়া যাচ্ছে না। কাগজটাতে আবার বিভিন্ন সুতা জড়ানো। গিঁট দেয়া। আমরা ভয় পেয়ে গেলাম। নিশ্চিত যাদু করা হয়েছে! কিন্তু কে করবে? তাও একদম ঘরের বালিশের ভেতরে ?
ঢাকায় আমার সাথে তখন পরিচয় ছিল একজন তরুন রাকী ভাইয়ের। আশপাশের এলাকায় তার বেশ সুনাম। আমি লাল কালিতে আরবি শব্দ লেখা কাগজটির ছবি তুলে তার ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়ে দিলাম। ঘটনা কী, সংক্ষেপে বর্ণনা করলাম। আমি আগে থেকেই জানতাম তিনি বেশ তাড়ার মধ্যে থাকেন। তাই রেসপন্স পেতে দেরি হবে। কিন্তু তিনি সাথে সাথে ম্যেসেজ দেখলেন। সিন করলেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে উত্তরও দিলেন। “ভাই এটা যাদু করা হয়েছে। এই যে দেখেন মারিদ লেখা। মারিদ হলো শয়তানের একটা নাম।“ হুমম! আমি তাকে ধন্যবাদ লিখে ফোন রেখে দিব ভাবলাম। কিন্তু পরে জিজ্ঞেস করলাম, কাগজটা কী করব। তিনি সম্ভবত বললেন, এক বালতি পানিতে ভিজিয়ে রেখে কাগজের লেখাগুলো উঠিয়ে ফেলতে। আর কিছু দুআ পড়ে ফু দিতে সেই পানিতে। যাই হোক , আমি কাগজ নিয়ে …
(ইন শা আল্লাহ চলবে)
পুরো লেখাটি এই লিংকে,
https://fictionfactory.org/posts/16080
ধন্যবাদ