Posts

গল্প

সাইকেলে জিনের হানা (সত্য ঘটনা অবলম্বনে)

February 4, 2026

ইহতেমাম ইলাহী

72
View

লেখকের সব লেখা পড়তে,
https://fictionfactory.org/contributor/4237

সাইকেলে জিনের হানা

কয়েকবছর আগের কথা। গ্রামের ঘোরতর বর্ষা। আমাদের বাড়ি পাকা হলেও উপরে টিনের চাল। সেই টিনের সম্ভবত ৩ জায়গায় ছিদ্র হয়েছে । পানি পড়ে।  হালকা বৃষ্টিতে পড়ে না। ভাড়ি বর্ষনে পানি পড়ে ঘরের মেঝে ভরে যায়। টিনের চালের বয়স ১৫ বছর পেরিয়েছে। তার উপর টিনের চালের উপরেই মেহগনি গাছ কয়েকটা। সেই গাছের ফল পরে ধুপ ধাপ। টিন যায় ভেচকে। ছিদ্র তো হবেই। নতুন মানুষ কেউ এসে রাতে থাকলে ভেবে বসতে পারে ভুত ঢিল দেয় কি না।  যাই হোক।  এরকমই এক বর্ষার রাতে হয়ত টিনের চালে চতুর্থ ছিদ্র হলো। সেটা দিয়ে পানি পড়ে একটা বালিশ পুরোপুরি ভিজে গেল। আমি টেরই পেলাম না। বালিশটা ছিল খাঁটি শিমুল তুলার । পরদিন ভেজা বালিশ দেখে আমার মা আহত হলেন। দিনে সেই বালিশ পুরোপুরি খোলা হলো। তুলা শুকাতে দিতে হবে। বালিশের তুলা ঘাটতে গিয়ে যা বের হলো তা দেখে আমাদের সবার চোখ হয়ে গেল বড় বড়। এটা কী? ছোট একটা কাগজ। লাল কালিতে কিছু আরবি শব্দ লেখা। যের যবর নেই। পড়া যাচ্ছে না। কাগজটাতে আবার বিভিন্ন সুতা জড়ানো। গিঁট দেয়া। আমরা ভয় পেয়ে গেলাম। নিশ্চিত যাদু করা হয়েছে! কিন্তু কে করবে? তাও একদম ঘরের বালিশের ভেতরে ?

ঢাকায় আমার সাথে তখন পরিচয় ছিল একজন তরুন রাকী ভাইয়ের। আশপাশের এলাকায় তার বেশ সুনাম।আমি লাল কালিতে আরবি শব্দ লেখা কাগজটির ছবি তুলে তার ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়ে দিলাম। ঘটনা কী, সংক্ষেপে বর্ণনা করলাম।আমি আগে থেকেই জানতাম তিনি বেশ তাড়ার মধ্যে থাকেন। তাই রেসপন্স পেতে দেরি হবে। কিন্তু তিনি সাথে সাথে ম্যেসেজ দেখলেন। সিন করলেন।কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে উত্তরও দিলেন। ‘ভাই এটা যাদু করা হয়েছে। এই যে দেখেন মারিদ লেখা। মারিদ হলো শয়তানের একটা নাম।‘ হুমম! আমি তাকে ধন্যবাদ লিখে ফোন রেখে দিব ভাবলাম। কিন্তু পরে জিজ্ঞেস করলাম, কাগজটা কী করব।তিনি সম্ভবত বললেন, এক বালতি পানিতে ভিজিয়ে রেখে কাগজের লেখাগুলো উঠিয়ে ফেলতে। আর কিছু দুআ পড়ে ফু দিতে সেই পানিতে। যাই হোক, আমি কাগজ নিয়ে ঘর থেকে বের হতেই নাসরিন আমাকে আটকালো। নাসরিন আমার ছোট বোন। সে বলল, দেখি কাগজটা। 
‘কী করবি?’
“ছবি তুলে পাঠাবো।“
“কাকে পাঠাবি আবার?”
“আমার হবু ভাবিকে!”

আমার তখন বিয়ের কথা চলছিল। একটা সম্মন্ধে কথা প্রায় ঠিক হয়েছিল বিয়ের ব্যাপারে। নাসরিন মেয়াটার সাথে কথা বলে মাঝে মাঝে। ম্যাসেঞ্জারে। নাসরিনের কথায় আমার মনে পড়ে গেল-- যার সাথে আমার বিয়ের কথা হয়েছে, মেয়েটা আরবি জানে। সে যের যবর ছাড়া আরবি পড়তে পারার কথা। তাকে লাল কালিতে আরবি লেখার কাগজটা দেখালে ভালোই হয়। আমি যতদূর জানতাম, ঢাকায় থাকা সেই রাকী ভাই আরবি জানেন না (যের যবর ছাড়া আরবি পড়তে ও অর্থ বুঝতে)। তাই সন্দেহ দূর হওয়ার জন্য আরবি জানা কাউকে কাগজ দেখানো দরকারই বটে। 

ইশার নামাজের জন্য ওজু করে বের হয়েছি। নাসরিন আবার আমার পথ আটকালো । 
‘আপা রিপ্লাই দিয়েছে!”
‘আচ্ছা! কী বলল?’
‘কাগজটাতে আল্লাহর গুনবাচক নাম লেখা! এই যে দেখো, এটা মাজীদ, এটা রহীম, এটা হাফিয…”

আমি থ’ হয়ে গেলাম। বলে কি! কাগজের ছবিটা দেখলাম আবার। হ্যাঁ, তাই তো মাজীদ, রহিমই লেখা, আর রহমানও লেখা দেখলাম। আশ্চর্য্য ব্যাপার! আমি তৃতীয়  দফায় আশ্চর্য্য হলাম এই ভেবে যে, মাজীদ লেখাটা মার্ক করেই ঢাকার রাকী ভাই বলেছিলেন—এটা মারিদ, শয়তানের একটা নাম। কিন্তু কাগজে দেখলাম সেখানে মিম হরফের পরে ‘র’ নেই। আছে জিম, এরপর ইয়া, এরপর দাল। তাহলে তো এটা মাজীদই হবে। মারিদ হবে না। আমি আর নাসরিনকে কিছু বললাম না। নামাজের জন্য বের হয়ে গেলাম। 
নামাজ পড়ে আসার পর আমাকে কিছু বলতে হলো না। নাসরিনই আমাকে কাগজের সব নাম পড়ে শুনালো। সবই আল্লাহর গুনবাচক নাম। আমিও প্রতিটা শব্দ লক্ষ্য করলাম, ঠিকই আছে ভুল নেই। কিন্তু আল্লাহর গুনবাচক নাম লেখা কাগজই বা বালিশে এল কোথা থেকে?  এটা নিয়ে কথা তুললাম রাতে খাওয়ার টেবিলে। বাবা বললেন, আমার যে টাইফয়েড জ্বর হয়েছিল একবার, মনে আছে?
হুম।
জ্বর ছাড়ার পরেও তখন নানান অসুখ, বিপদ আপদ। পরে এক হুজুরকে নিয়ে আসা হলো—কুরআন দিয়ে চিকিৎসা করেন উনি। তিনি বলেছিলেন, বাড়িতে জিনের সমস্যা আছে। সম্ভবত এই কাগজটা তখনই আমার বালিশের ভেতরে রাখা হয়। যদিও স্পষ্ট মনে পড়ছেনা আমার। 
বাবার কথা শুনে আমার মনে পড়ে গেল বহুদিন আগের কথা । ঠিকই তো। বহু বছর আগে এক গভীর রাতে আরবি লেখা কাগজ বোতলে ভরে সেই বোতল বাড়ির চারকোণায় আমি সহ আমার চাচারা পুঁতে রেখেছিলাম। বাড়ি বন্ধ করার জন্য। হুজুরের তাই নির্দেশ ছিল। তারই লেখা কাগজ ও বোতল। তখন খুব ছোট ছিলাম। কিন্তু মনে পড়েছে ঘটনাটা। কিছুক্ষণ সেই ঘটনা নিয়ে আলোচনার পর, আমার মা’ও সাঁয় দিলেন যে, বালিশের কাগজটা সেই সময়েরই হতে পারে। সেই সময়ে আমাদের বাড়িতে নানান বিপদ আপদ। অসুখ। তার উপর আবার রাতের বেলা ঢিল পড়ে বাড়িতে। সেই ঢিলের মাটি আমরা দিনে দেখি। পোড়া শক্ত মাটি। মাটির চুলার মাটি এমন হয়। আমার বাবা ছিলেন খুবই সাহসী মানুষ। তখন তার বয়সও ছিল কম। যুবকই। তিনি বের হলেন সেই পোড়ামাটির উৎসের সন্ধানে। পরদিনই সফল হলেন। আমাদের বাড়ির পাশে ছোট ঝোপঝাড়। তার পাশেই একটা বাড়ি। আমাদের জ্ঞাতি সম্পর্কীয় চাচার বাড়ি । তারা করত ভাপাই এর ব্যাবসা। ভাপাই হলো ধান ভাপে সেদ্ধ করে শুকিয়ে কুটে চাউল তৈরি করা। কেনা ধানের চেয়ে ভাপাই এর পরে তৈরি চাউলের দাম পাওয়া যায় প্রায় দ্বিগুন। সেখান থেকেই লাভ। তো তাদের ছিল বড় বড় চুলা। বাবার অনুসন্ধানে দেখা গেল, সেই চুলার মাটি ভাঙ্গা। বেশ কয়েক জায়গায় ভাঙ্গা। সেই ভাঙ্গা মাটি আবার আশপাশে দেখা যাচ্ছে না। বাবা এসে ব্যাপারটা আমাদের জানালেন। আমরা তখন সেই বাড়ির ভাঙ্গা চুলা দেখেও এলাম। ঢিলের মাটির সাথে চুলার মাটির হুবহু মিল পাওয়া গেল। ঘটনা তাহলে সত্যি। এই চুলা থেকে মাটি ভেঙ্গেই হয়ত আমাদের  বাড়িতে ঢিল ছোড়া হয়। এবং বাবার মতামত হলো, জিন নয় মানুষই দুষ্টুমি করে এই কাজ করে! আমরাও তার কথা বিশ্বাস করলাম। বাবা ছিলেন বরাবরই বাস্তববাদী মানুষ। তিনি সবসময় জিন জাতীয় ঘটনাগুলোর লৌকিক ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করতেন। এবং তার ব্যাখ্যা পরে ফলে গেছে, এরকম প্রমাণ আমরা একাধিকবার পেয়েছিও। কিন্তু তার জীবনে ঘটা একটা ঘটনার ব্যাখা তিনি নিজেও বের করতে পারেন নি। সেই গল্পটা তিনি আমাদের মাঝে মাঝেই বলতেন । সেই ঘটনার রাতেও ছিল ঘোরতর বর্ষা! বাবা বন্ধুর বাসা থেকে বাড়ি ফিরছেন গভীর রাতে।  বাবার বন্ধু একজন সেনাসদস্য। ছুটিতে এসেছেন গ্রামে। বাবার সেই বন্ধু আবার গল্প শুরু করলে শেষ করতে চান না। দিন নাকি রাত পার হয়ে যাচ্ছে সেই খেয়াল থাকে না।  একবার কঙ্গো মিশন থেকে ফিরে তিনি আমাদের বাসায় এলেন। বাবাকে পুরো এক বছরের মিশনের গল্প শোনানো শুরু করলেন। বাবা ছিলেন আগ্রহী শ্রোতা। গল্পের আসর শুরু হলো সকাল সকাল। আমার স্পষ্ট মনে আছে সুর্য ডুবে যাচ্ছে, ঘরে গোধুলীর অন্ধকার। তবু গল্প থামে নি। চলছেই। মাঝে শুধু দুপুরের খাবারের বিরতি ছিল। তো, গল্পগুজব শেষে সেদিন আমার বাবা ফিরছিলেন গভীর রাতে। বহুদিন আগের কথা। বাবার বিয়ে তখনো হয় নি। বয়সে তিনি তরুন। বন্ধুর বাড়ি ছেড়ে কিছুদুর এগোতেই নামল বৃষ্টি। হাতে অল্প আলোর টর্চ লাইট। তিনি সাইকেল চালিয়ে আসছেন। দুপাশে ঘন বাঁশের ঝোপের জঙ্গল ও মাঝে মাটির রাস্তা। যথেষ্ঠ কর্দমাক্ত পথ। চারপাশে ঘুটঘুটে অন্ধকার। তিনি বহু কষ্টে সেই রাস্তা পেরিয়ে পাকা রাস্তায় উঠলেন। ভাবলেন এখন আরামে যাওয়া যাবে। যদিও অন্ধকার আর তীব্র বৃষ্টিতে প্রায় কিছুই দেখা যাচ্ছে না। এক হাতে ছাতা আরেক হাতে চিকন টর্চ ও সাইকেলের হ্যান্ডেল ধরে রাখা। সাইকেল সংগত কারনেই চালাচ্ছেন ধীরে ধীরে। রাস্তায় তিনি পুরোপুরি একা। ভয় লাগার কথা । কিন্তু তিনি এত সহজে ভয় পাওয়ার মানুষ নন । রাস্তার পাশে দিয়েই গাইনডুবা নদীর স্রোতের শব্দ শোনা যাচ্ছে। সেই সাথে ঝুম বৃষ্টির ফোটার শব্দ। আর কোনো শব্ধ নেই। নেই কোনো বাতাসও।  বাবা হঠাৎ খেয়াল করলেন রাস্তার সামনে থেকে বেঁটে ও মোটা কেউ থপ থপ থপ করে হেঁটে আসছে। হাঁটার ভঙ্গিতে ব্যাস্ততা। কে হাঁটবে এত রাতে?  বাবা লোকটির দিকে লাইট ধরার চেষ্টা করলেন। আবছা আলোয় চেনা যাচ্ছে না। তিনি ডাক দিলেন, কে?। কোনো সাড়া এল না। লোকটির মধ্যে কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। সে হাঁটছে থপ ধপ থপ থপ করে। নিমগ্ন। এগিয়ে আসছে। বাবা কিছুটা ভয় পেলেন। তার ভয় আরো বাড়ল যখন দেখলেন, বেঁটে মোটা লোকটা তার সাইকেল বরাবর হেঁটে আসছে। বাবা কি করবেন বুঝলেন না। সাইকেলের বেল বাজাবেন সেই উপায়ও নেই। হাত বন্ধ। বেঁটে লোকটা একদম কাছে চলে এসেছে। সে হুরমুর করে উঠে বসল বাবার সাইকেলের সামনের দিকটায়। বাবা উপায় না দেখে ডান হাতের ছাতার মাথা দিয়ে মোটা লোকটাকে গুঁতা দিতে দিতে গর্জন করে উঠলেন, হইইইই শব্দে। আর লোকটা একদম চোখের সামনেই ভ্যানিশ হয়ে গেল। 

বাবার তরুন বয়সের সাহসিকতার গল্প অনেক শুনেছি। কৈশোরেও নাকি তিনি সাহসী ছিলেন। আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে মাটির রাস্তা। সেই রাস্তা দিয়ে শ’মিটার পশ্চিমে এগোলেই উত্তর দিকে ক্ষেতের মাঝে একটা বাঁশঝাড়। খুবই ঘন। আশ্চর্য্য প্রজাতীর গাছে ভরা। জঙ্গলের ধারে অসংখ্য ইঁদুরের গর্ত। বলাই বাহুল্য, সেই গর্তের কিছু অংশ সাপের আবাস। সেই জঙ্গলে রাতে তো দূরের কথা দিনেও কেউ প্রবেশ করতে চাইত না। বাবার কিশোর বয়সের এক রাতের কথা। তিনি মাটির সড়ক ধরে ফিরছেন বাড়ির দিকে। রাতের প্রথম প্রহর চলছে। বেশ অন্ধকার। সেই জঙ্গল বরাবর আসতেই তিনি আক্রমণের শিকাড় হলেন। জঙ্গলের ভিতর বা পাশ থেকে তার উপর উপর্যুপুরি ঢিল আসতে লাগল। মাটির ঢিল। তীর বৃষ্টির মত ঢিল বৃষ্টি। বাবা কিছুক্ষণ এদিক ওদিক সরে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেন ঢিলের আঘাত থেকে। এরপরে নেমে গেলেন পাশের জমিতে।  চাষ দেয়া শুকনো জমিতে তখন চাপা চাপা মাটির ফলা। সেই মাটির ফলা থেকে ঢিল নিয়ে তিনিও ঢিল ছোড়া শুরু করলেন তুমুল বেগে। ঢিলের উৎস বরাবর আন্দাজ করে। জঙ্গলের দিক থেকেও ঢিল আসছে। বাবাও ঢিল ছুড়ছেন প্রাণপনে। চারদিকে অন্ধকার। কোথাও কোনো আলো নেই। বাবা প্রাণপণ করলেন, যে করেই হোক ভুতকে ঢিল ছুড়ে তাড়াতে হবে। ভুতের কত জোড় তিনি দেখে নেবেন। ভুত বনাম মানুষের ঢিলের যুদ্ধ চলতেই লাগল। বাবা কতক্ষণ একটানা ঢিল ছুড়লেন তা জানি না। তবে এক পর্যায়ে জঙ্গলের দিক থেকে আসা ঢিলের পরিমাণ কমে যেতে লাগল। এক পর্যায়ে থেমেই গেল। তবে বাবার থামাথামি নেই। তিনি ঢিল ছুঁড়েই যাচ্ছেন। এক সময় যখন দেখলেন ওপার থেকে ফিরতি ঢিল আসছে না, তিনি ক্ষান্ত দিলেন। শান্তভাবে বাড়ির দিকে হাঁটা ধরলেন। বাড়ির উঠানে এসে দেখলেন বড় চাচা আর ইয়াকুব চাচাও বাড়িতে ঢুকছে। তারা প্রবল হাসিতে ভেঙ্গে পড়তে চাচ্ছে। বাবাকে দেখে সেই হাসি লুকানোর চেষ্টা করছে। 
বালিশের ভেতরে থাকা লাল কালিতে লেখা আরবি লেখার মর্ম উদ্ধার করতে গিয়ে একটা জিনিস সেদিন বুঝেছিলাম, তরুন রাকীদের অন্ধভাবে বিশ্বাস করা মনে হয় ঠিক না। তারা বুঝে হোক বা না বুঝে ভুল চিকিৎসা করতে পারে। হয়ত এটা তাদের দোষ না। বয়সের দোষ। তবে সবকিছুতে অন্যের উপর নির্ভর না করে আমাদের নিজেদের বিবেক বুদ্ধি খাঁটানোতে কোথাও মানা তো নেই নিশ্চয়ই!

(ইন শা আল্লাহ চলবে…)
জিন অথবা ভুতের গল্প সিরিজ,
আগের পর্বেগুলোর লিংক,
https://fictionfactory.org/posts/15916

https://fictionfactory.org/posts/15927

https://fictionfactory.org/posts/15934

গল্পঃ এমপি সাহেব
https://fictionfactory.org/posts/15187

গল্পঃ ওয়াজ মাহফিল
https://fictionfactory.org/posts/13774

গল্পঃ ঠান্ডা স্নায়ু

https://fictionfactory.org/posts/13777

গল্পঃ সবচেয়ে বড় শত্রু
https://fictionfactory.org/posts/13790

গল্পঃ তরুন অভিনেতা
https://fictionfactory.org/posts/13991

গল্পঃ সাইকেলে জিনের হানা
https://fictionfactory.org/posts/16080

উপন্যাসঃ চোখের তারায় জোনাকির আলো (সব পর্ব)
https://fictionfactory.org/posts/15960

লেখকের সব লেখা পড়তে,
https://fictionfactory.org/contributor/4237

Comments

    Please login to post comment. Login