করিম বললো,"ভাই। নামাজে মনোযোগ আসেনা। নামাজে দাড়ালেই নানা চিন্তা ভাবনা চলে আসে।"
বললাম,"লক্ষণ ভালো। তোমার ইমান যে ভালো আছে এটাই তার লক্ষণ। শয়তান তোমার নামাজ পড়া নিয়ে বিপদে পড়েছে।
নামাজ থেকে তোমাকে ফেরাতে পারছেনা, আলহামদুলিল্লাহ । তাই সে নামাজের মাঝেই বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।"
করিম প্রশ্ন করলো,"এখন কি করা যায় ভাই? এভাবে নামাজ পড়লে কি নামাজ হবে?"
উত্তরে বললাম,"নামাজ হবে ইনশাআল্লাহ। এমনকি তুমি দ্বিগুন নেকী পেতে পারো। নামাজ পড়ার নেকী এবং শয়তানের লড়াই করার নেকী।
শয়তানের ধোকায় পড়ে যেওনা। যখনই নামাজের প্রতি অলসতা বুঝবে শয়তান তার কাজ শুরু করে দিয়েছে। তখন প্রয়োজনীয় নামাজের চেয়ে বেশি আরো কিছু নফল নফল নামাজ পড়ার চেষ্টা করবে। দেখবে শয়তান পালাবে।"
করিম শুনে খুশি হলো। তারপর আবার প্রশ্ন করলো,"শয়তানের ধোকা থেকে বাচতে আর কি করা যায়, ভাই?"
তার প্রশ্নের উত্তরে বললাম,"সহজ একটা পথ আছে। মনে রাখবে, শয়তান সাধারণত আমাদের বামপাশ দিয়ে আক্রমণ করে। তাই
'আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম' পড়বে একবার। তারপর বামপাশে তিনবার থুথু ছিটাবে আসতে করে।
এমনকি নামাজের মাঝেও এটা করতে পারো, অনুমোদন আছে। এটা করলে শয়তান মরে যাবে বা পালিয়ে যাবে।
এটা খুবই ভালো আমল। যখনই মনে হবে শয়তান তোমাকে ধোকা দিচ্ছে, তখনই এই আমল করবে।
আবার ঘুমের মধ্যে বাজে স্বপ্ন দেখলেও এই আমল করবে। শয়তান দৌড়ে পালানোর রাস্তার খুজে পাবেনা।"
20
View