
শৈশবের রাস্তা, সাইকেলের ঘূর্ণন,
বিশুর ঘরের টিনে ঝুলে আমের স্বপ্নন।
দোতলা ঘরের ডালে, পাঁচটি রঙিন রঙ,
বৌদির হাসি বলে, “এইগুলো তোরই সংরক্ষণ।”
আম গাছে ওঠা, পেয়ারা কেটে খাওয়া,
প্রবাল বলে ডাকে, “জরুরি কাজ আছে, চলি যাওয়া।”
মাসিমার আদর, গায়ে হাত, মিষ্টি কণ্ঠস্বর,
বুকের মাঝে মিশে যায় সে ভালোবাসার তরঙ্গধ্বনি।
সাইকেলের পেছনে মাল, ভারসাম্য রাখার চ্যালেঞ্জ,
পড়লেও পড়ি, হেসে ওঠি, জীবন যেন এক মজার ব্যালান্স।
টাকার ছোট নোট, মধুর শিক্ষা লুকানো নেই,
বন্ধুত্ব, দায়িত্ব, আনন্দ—সবই হৃদয়ে গেঁথে যায় শ্বাসে।
ভাই-বোনের মর্যাদা, বন্ধুর পরিবার আমারও,
প্রতিটি মুহূর্তে অনুভব করি একাত্মতার রস।
যেখানে বিবেক আদেশ দেয় ভালোবাসার পথে,
সেখানে গল্প, স্মৃতি আর সম্পর্ক জেগে ওঠে চিরন্তনে।
কালো বরফের পাতা, হারানো ছোটবেলা মনে আনে,
বিশুর ঘরের স্মৃতি, মাসিমার হাসি, সাইকেলের গতি—সব মিলে।
প্রিয় বন্ধুর জন্য, প্রিয় পরিবারের জন্য মন কাঁদে,
কিন্তু কাঁদা আনন্দে ভরা, ভালোবাসায় ভরা এক সমুদ্রের ঢেউ।
শৈশব, বন্ধুত্ব, আদর্শ, মানবিকতা—সব এক সেতু,
যেখানে প্রেম, দায়িত্ব, হাসি—একসাথে মিলে।
বিবেকের আদেশে গড়া এই জীবন-সেতু,
সব ছোট গল্প, সব মিষ্টি মুহূর্ত—সবাই মিলে হৃদয় জুড়ে।