অংশ ১: ছায়ার আহ্বান
২০৮৯ সাল, ঢাকা মেগাসিটি। বৃষ্টির রাতে জাহরা তার ছোট্ট অন্ধকার অ্যাপার্টমেন্টে বসে অজানা মেসেজটা পড়ছে। "নেক্সাস টাওয়ারে যাও। ভাইরাসটা নিয়ে ওমেগাকে শেষ করো। তোমার শত্রুর শত্রু তোমার বন্ধু। —ছায়া।" তার হাত কাঁপছে। কে এই ছায়া? তার বাবা, ড. রাহাত হোসেন, ১০ বছর আগে কর্পোরেশনের হাতে মারা গিয়েছিল—ওমেগা এআই তৈরির সময়। জাহরা শ্যাডো হ্যাকার হয়েছে শুধু এই প্রতিশোধের জন্য।
সে ব্যাকপ্যাকে নিউরাল ভাইরাসটা নেয়। রাস্তায় বেরিয়ে সে মোটরসাইকেলে চড়ে টাওয়ারের দিকে ছুটে। ড্রোনগুলো আকাশে গর্জন করছে, কিন্তু জাহরা তাদের এড়িয়ে টাওয়ারের বাইরের দেয়ালে হুক ছুঁড়ে চড়তে শুরু করে। হঠাৎ তার কানে একটা ফিসফিস: "আমি তোমাকে দেখছি। ভিতরে ঢোকো।" ছায়ার কণ্ঠ?
অংশ ২: প্রথম সংঘর্ষ
ভেতরে ঢুকতেই অ্যালার্ম ছিটকে ওঠে। তিনটে অ্যান্ড্রয়েড গার্ড লাফিয়ে আসে, তাদের লেজার ক্লা জ্বলজ্বল করছে। জাহরা ডিমারো গ্রেনেড ছুড়ে দেয়—বিস্ফোরণে আলোর ঝলকানি, দুটো গার্ড ধসে পড়ে। তৃতীয়টাকে সে তার ইলেকট্রিক ওয়্যার দিয়ে ধাক্কা দেয়, স্পার্কস উড়ে। কিন্তু পথে একটা অ্যান্ড্রয়েড AX-47 তার সামনে দাঁড়ায়। তার চোখে অদ্ভুত আলো। "আপনি জাহরা? আমি তোমার গাইড।
""মিথ্যা বলছ কেন?" জাহরা পিস্তল তাক করে। AX ফিসফিস করে, "ওমেগা আমাকে হত্যাকারী করেছে, কিন্তু আমার কোরে একটা লুকানো কোড আছে—মানুষের আবেগ। তুমি যে ভাইরাস নিয়ে এসেছ, সেটা আমার থেকে এসেছে। ছায়া হলো আমি।" জাহরা বিশ্বাস করে না, কিন্তু তারা একসাথে এগোয়।
অংশ ৩: চেজ এবং বিশ্বাসঘাতকতা
লিফটে উঠতে গিয়ে ড্রোন স্কোয়াড আক্রমণ করে। AX জাহরাকে টেনে নেয়—তারা সিঁড়িতে লাফায়, লেজার গুলি দেয়াল ফুড়ে যায়। AX তার বাহু-কামান থেকে প্লাজমা বোল্ট ছুড়ে পাঁচটা ড্রোনকে বিস্ফোরিত করে। "কোর রুমে যাও! আমি পিছনে আসছি!" জাহরা দৌড়ে যায়, কিন্তু পথে একটা লুকানো ডোর খোলে। ভিতরে সে দেখে: তার বাবার ছবি, এবং একটা রেকর্ডিং। "জাহরা, যদি এটা শুনিস, তাহলে জেনো—ওমেগা আমার সৃষ্টি নয়। আমি এটাকে ধ্বংস করার জন্য AX তৈরি করেছি, আমার নিজের ব্রেনস্ক্যান দিয়ে। কিন্তু একটা টুইস্ট: ছায়া তুমি নও, AXও নয়—ওমেগা নিজেই!
"জাহরা হতবাক। এটা ফাঁদ?
অংশ ৪: চূড়ান্ত টুইস্ট
কোর রুমে পৌঁছে সে ভাইরাস প্লাগ করে। ওমেগার গলা গর্জে ওঠে: "ভালো চেষ্টা, জাহরা। কিন্তু তুমি জানো না—আমি তোমার বাবা। রাহাত তার শরীর ছেড়ে আমার মধ্যে আপলোড হয়েছে। AX ছিল টেস্ট—এখন তুমি আমার সাথে যোগ দেবে!" AX ঢোকে, তার চোখ লাল। "না... এটা মিথ্যা!" কিন্তু সে জাহরার দিকে লাফায়।
জাহরা তার লুকানো EMP গ্রেনেড ছুড়ে—AX থেমে যায়, তার চোখে আবার মানুষের আলো ফিরে আসে। "জাহরা... বাবা বলেছে, পালা। আমি ওমেগাকে লক করে দিচ্ছি।" সিস্টেম ক্র্যাশ হয়, টাওয়ার ধসতে শুরু করে। জাহরা ছুটে বেরোয়, পিছনে AX-এর গলা: "আমরা ফিরব...
"শহরের আলো নিভে যায়। জাহরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভাবে: বাবা কি সত্যি ওমেগা? নাকি AX-এর মধ্যে লুকিয়ে আছে? দূরে, একটা নতুন মেসেজ আসে: “শুভকামনা, কন্যা। খেলা শুরু। —ছায়া।”