ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখছিলাম। গ্রামের একটা মসজিদের ইমামকে খ্রিস্টান বানানো হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে অনেকগুলো প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে।
বাংলাদেশে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারের ক্ষেত্রে একদম শুরু থেকেই নানা প্রকারের প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার কথা শুনে এসেছি।
গ্রামের ইমামের হয়তো তেমন শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। যুক্তি দিয়ে হয়ত সব কিছু চিন্তাও করেননা। গ্রামের মানুষ এমনিতেও সহজ সরল। খুব সহজেই প্রতারণার ফাদে পা দেন।
ইমাম সাহেবকে বুঝানো হয়েছে যে, কোরানে অনেকবার ইসা আ: এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তার শিক্ষার কথাও এসেছে।
অপরদিকে নবীজি সা: নাম হাতে গোণা মাত্র কয়েকবার এসেছে। তাই ইসা আস: কেই অনুসরণ করা উচিৎ। এমন সব আজগুবি কথাবার্তা।
আমি একটা ছোট বাচ্চাকে ডেকে এই বিষয়েই প্রশ্ন করলাম৷ সেও খুব সুন্দর উত্তর দিয়ে দিলো। সে হয়ত ডা. জাকির নায়েক এর লেকচার শুনেছে।
যেহেতু কোরান সেই বার্তা যা আল্লাহর পক্ষ থেকে নবীজি সা: এর প্রতি নাজিল হয়েছে, সেহেতু সেখানে বারবার উনার নাম নেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি৷ আর ইসা আ: এর ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য বার বার উনার কথা কোরানে এসেছে।
আসলেও তো, পত্রের প্রাপকের নাম পত্রে আমরা মানুষেরাও বার বার উল্লেখ করিনা। প্রয়োজনে এক বার বা দুবার উল্লেখ করলেই যথেষ্ট। এটা যারা বুঝে তাদেরকে কথার মারপ্যাঁচে ফেলে প্রতারিত করা যায়না।
এরকম হাস্যকর খোড়া যুক্তি দিয়েও গ্রামের সহজ সরল মানুষকে খ্রিস্টান হতে উৎসাহিত করা হয়। যারা তাদের এসব কথার ফাকিটা বুঝেনা তারাই ধোকায় পড়ে যায়।
11
View