নির্বাচন এলে নেতা, হয় জননেতা
বক্তৃতায় ঝরে তার, দেশের উন্নয়নের কথা।
“এই করবো, সেই করবো”—প্রতিশ্রুতির ঢল,
ভোট শেষে বোঝা যায়, সবই ছিল ছল।
ক্ষমতায় বসার পর চেয়ারটা হয় গরম,
দেশটা গেলেও অধঃতলে, সে দিকে নজর নরম।
হাত বাড়ালেই লুটতে পারে সরকারি থলি,
জনগণ দেখে কয়—“আহা, কি ছিলি আর হলি!”
চাঁদা নাকি উন্নয়নের কর,
ছিনতাই নাকি নেতার আদর।
ভূমি দখল হয় আইন মেনে,
আইন তার দাস হয়ে, থাকে পকেটের কোণে!
সংবিধান যেন স্কুলের খাতা,
ক্ষমতা হাতে এলে, বদলে যায় পাতা।
দেশের অর্থ পাড়ি দেয় পরবাসে,
আমরা বাঁচি শুধু স্বপ্নের ধ্বংসাবশেষে।
গণতন্ত্র আছে, পতাকাও আছে,
নেতার হাসিতে শুধু মিথ্যাচার নাচে।
দেশটা চলে প্রতিশ্রুতির ঘোড়ায়,
ঘোড়া দাঁড়িয়ে থাকে, নেতা শুধু দৌড়ায়!
এভাবেই,
বোকা জনগণকে ধোকা দিয়ে, চলে নেতার শাসন।
হুমকির চাপে বাধ্য হয়, দেশের প্রসাশন।
চাটুকারের অভাব নেই, সেই নেতার তরে
টাকার লোভে অনেকেই, তার হাত ধরে।
দেশের উন্নয়নের তো কোন খবরই নেই,
দেশ থেকে সবই হয় চুরি।
উন্নয়নের মধ্যে উন্নয়ন একটাই
সেই নেতার ভুঁড়ি।