বরফের রাণী পর্ব-২
না আমি সেটা বলতে চাইনি তবে আমি একাই তিন জন সন্তানকে কিভাবে মানুষ করব আমরা স্ত্রী তো মারা গেল
রানী মনে মনে বলল এটাই তো সুযোগে আমি মা হতে পারবো
এরপর আমি বলল ঠিক আছে তুমি যদি চাও তোমার একজন সন্তানকে আমি পালন করতে পারি
দা সেটির স্বামী বলল কিন্তু আমি অদেরকে ছাড়া কিভাবে থাকবো
রানী বলল আমি কি জানি আমি তোমার ভালোর জন্যই বলছিলাম (অথচ রানী মা হওয়ার জন্য আকুল হয়ে আছে সে মনে মনে বলছে সে যেন রাজি হয়। হলোও তাই
দাসী স্বামী বলল ঠিক আছে কোন জনকে নেবেন
রানীর মেয়ে শিশু খুবই পছন্দ তাই সে সেখান থেকে সবচেয়ে সুন্দর মেয়েটিকে বেছে নিল রাজ্যর সবাই রাণী উদারতা দেখে রানীকে বাহবা দিতে লাগলো অথচ রানী নিজের স্বার্থের জন্যই তাকে দত্তক নিয়েছে রাজ্যে যেন খুশির ঝরনা হয়ে যাচ্ছে এত বছর পর তাদের রাজ্যের রাজা-রানী বাবা মা হলো।
পরের দিন সকালে আজ রাজবাড়ীতে উৎসব রাজা রানী বাবা মা হওয়ার খুশিতে আনন্দে আত্মহারা হয়ে খুবই বড় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে এই অনুষ্ঠান এতটাই বড় যে মানুষের পাশাপাশি পরে দিলেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে (তখনকার মানুষ পরিদের সাথে সরাসরি কথা বলতে পারতো) এই আমন্ত্রণ থেকে কোনো মানুষ বঞ্চিত হয়নি তবে একজন পরিভাঞ্চিত হয়েছে। তার স্বভাবের কারণে পরিরা কেন মানুষরাও তার সাথে কথা বলতে চায় না তার নজর যার ওপর পড়ে সে ধ্বংস হয়ে যায়।
সময় এখন সন্ধ্যে সাড়ে সাতটা মানুষের খাওয়া-দাওয়া শেষে তারা রাজকন্যাকে আশীর্বাদ করে চলে গেছে এবার পরীদের পালা।
প্রথম পরী আশীর্বাদ করল সৌভাগ্যবতী হও
দ্বিতীয় পরী আশীর্বাদ করলো সুন্দর কন্ঠের অধিকারী হও
তৃতীয় পরি আশীর্বাদ করল লম্বা চুলের অধিকারী হও
চতুর্থ পরি আশীর্বাদ করল গুণবতী হও
এবার পঞ্চম পরী পালা পঞ্চম পরি যখন আশীর্বাদ করার জন্য এগিয়ে এলো তখনই আবির্ভাব হলো সেই ভয়ংকর পারিটির সে এসেই বললো আমাকে ছাড়া এত বড় উৎসব করছো তোমরা তাকে দেখে উপস্থিত সবাই থমকে গেলো
পর্ব ৩ এর জন্য আপেক্ষায় থাকুন