বরফের রাণী পর্ব -৪
কেটে গেলো ১৫ বছর দূর্ভাগ্য বসত রাজা রানী এক যুদ্ধে বিদ্ধস্ত হয়ে মারা যায় বেঁচে যায় শুধু ঐ অভিশপ্ত রাজকন্যা নীলিমা। তার আজ ১৫ বছরের জন্মদিন। আজ নীল ও নীলার ও ১৫ বছরের জন্মদিন, নীল আর নীলা হলো নীলিমার আসল ভাই-বোন। ভাগ্যের খেলায় তারা আজ আলাদা নীল আর নীলার বাবাও মারা গেছে এক দূর্ঘটনায় তাদের দাদি তো মারা গেছে আরো আগে তখন তাদের বয়স ছিলো ৫ বছর। তাদের এখন দুজনের সংসার নীল মাছ ধরে বিক্রি করে আর নীলা বারিতে একটা সবজি বাগান করেছে সেখান থেকে তারা নিজেরা খাওয়ার পর যা বাঁচে সেগুলো বিক্রি করে অর্থ উপার্যন করে সব মিলিয়ে তাদের জিবনটা ভালোই কাটছিলো। আন্যদিকে রাজকন্যা নীলিমা বাবা মা মারা যাওয়ার সময় তার বয়স ছিলো ৯ তারা মারা যাওয়ার পর ১০ বছরেই তিনি রাজসিংহাসনে বসেন রাজ্য সমলাতে তার এমন কান্ড দেখে হতভাগ রাজ্যের সবাই এইটু মেয়ে নাকি রাজ্য সামলাবে তবে তার আজ ১৫ বছর পূর্ণ হবে সে এই ৫ বছর ভালোই রাজ্য সামলিয়েছে হয়তো সে তার বাবার আসল মেয়ে না সে ছিলো রাজবাড়ির এক দাসির মেয়ে তবে তার এই চতুরতা দেখে কেউ বলতে পারবে না সে রাজার আসল মেয়ে ছিলো না । আজ তার ১৫ বছরের জন্মদিন রাজ প্রাসাদ সাজানো হচ্ছে খুব সুন্দর করে এই উৎসব এত বড় হবে যত বড় উৎসব হয়েছিলো তার জন্মের পর তবে এই বার শুধু মানুষ আসবে কোনো পরি না আগের বার যা হয়েছিলো তা ভোলার নয় রাজ্যের কেউ এক কথা জানে না ঐ দিন কি হয়েছিলো তবে প্রাসাদের দাস দাসিরা ঠিকই জানে নীলিমা একবার বলেছিলো পরিদের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তবে তা শোনা হয় নি রাজ্যের আনেকেই বলেছিলো তারা পরি দেখবে পরিদের আমন্ত্রণ জানাও তাবে তাদের কাথাও শোনা হয় নি। আজ সেই কালো রাত যার জন্য ১৫ বছর যাবত রাজপ্রাসাদের প্রত্যেকটি দাস দাসি চিন্তায় আছে কি ঘটবে আজ, কি হবে রাজ কন্যা নীলিমার সাথে সেকি সত্যিই বরফ কন্যাস রুপান্তর হবে তার এই অভিশাপ কাটানো জন্য তার আসল ভাই বোনদের সাথে মিলতে পারবে তো। বরফ কন্যায় পরিনিত হওয়ার পর সে রাজ্যের মানুষের কোনো ক্ষক্ষতি করবে না তো এসব ভেবে পেরেশান হয়ে পরছে প্রত্যেটা দাস দাসি ( বরফ কন্যা মানে সে বরফে জমে যাবে না বরং বরফ কন্য একধরনের কাল্পনিক চরিত্র যা শীতের রাণী হয় তারা মানুষ দেখলে তাদের রাক্ত পান করে তাদের বরফের মুর্তিতে পরিনিত করে যে রাজ্যে বরফের রাণী থাকে ঐ রাজ্যে কখনো অন্য ঋতুর আগমোন হয় না সেখানে ১২ মাস শুধু ঠান্ডা থাকে)
পর্ব ৫ এর জন্য অপেক্ষায় থাকুন