আব্দুল মোত্তালিব
নবীজি সা: এর দাদার নাম ছিলো আব্দুল মোত্তালিব। তবে মোত্তালিব আল্লাহর নিরানব্বইটি গুণবাচক নামের মাঝে নেই। তাই মোত্তালিব এর দাস বা বান্দা হওয়ার মানে হয়না।
তার আসল নাম ছিলো শায়বাহ। শায়বাহ তখন মদিনায় তার পরিবারের সাথে বাস করছিলেন। তার পিতা মারা গেলে চাচা আল-মোত্তালিব তাকে মক্কায় নিয়ে আসেন। মক্কার লোকেরা ভাবলো যে, তিনি নতুন কোন দাস কিনে এনেছেন। এই ভুল থেকে সবাই শায়বাহকে আব্দুল মোত্তালিব বা মোত্তালিব এর দাস ডাকা শুরু করে। আল-মোত্তালিব মানুষের ভুলটি ভাঙ্গার চেষ্টা করলেও ততদিনে শায়বাহ এই নামেই পরিচিত হয়ে যান। ফলে ইতিহাসে তাকে আমরা এই আব্দুল মোত্তালিব নামেই জানি।
তাই আমাদের মাঝে যারা নাম রাখার ক্ষেত্রে আবেগে এই নামটি রাখেন তাদের সাবধান হওয়া উচিত।
খালেকুজ্জামান
খালেক মানে স্রষ্টা, এটা সবাই জানে। আবার জামান বা জামানা মানে সময়। নামটির অর্থ দাঁড়ায় সময়ের স্রষ্টা। কেমন যেন, আল্লাহর গুণবাচক নাম নিজেই নিয়ে নেওয়া। আব্দুল খালেক হলেও হতো। তবে এটিকে ঘুরিয়ে পেচিয়ে অন্য অর্থ দাড় করানো যায়। যেমন: সময়ের উত্তম কোন কাজের স্রষ্টা।
মাবিয়া
গুগুলকে জিজ্ঞেস করলে এই নামের ভালো কিছু অর্থ সামনে এনে দেয়। তবে এটাও সবাই জানে যে আমাদের মুসলিম ইতিহাসে শিয়া ভাইয়েরা মুয়াবিয়া রা: কে অত্যন্ত অপছন্দ করে। তারা মুয়াবিয়া নামটি বিকৃত করে মাবিয়া বলে তাকে ডেকে থাকেন।
রামিম
কোরানে সুরা ইয়াসিনে এই শব্দটি আছে। কোরানে এটি "পচা বা জরাজীর্ণ হাড়" বা "গলিত অস্থি" অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।
অনেকেই আবেগে নাম রাখার ক্ষেত্রে এসব নাম রেখে দেয়। কোরানে তো আবু লাহাবের নামও রয়েছে। কোন শব্দ শুনতে হয়ত ভালো লাগলো আর সাথে সাথেই নাম হিসেবে রেখে দিলে তো হয়না।
শব্দটির অর্থ জানা দরকার। নাম যেমন সুন্দর হওয়া চাই, তেমনি নামের অর্থও সুন্দর হওয়া চাই ।