বরফের রাণী পর্ব -৫
আজ রাজকন্যা নীলিমার ১৫ বছরের জন্মদিন আর আজই সেই কালো দিন যার ভয়ে দাস দাসিদের চোখে ঘুম ছিলো না এতদিন রাজা রানী মরার আগে বলে গিয়েছিলো ঐ রাতে তাকে যে প্রাসাদের বাইয়ে না বের হতে দেওয়া হয়। আজ হচ্ছেও তাই প্রাসাদের সকল দরজা জানালা বন্ধ রাজ্যের প্রজাদের আগেই বলা হয়েছিলো তারা যেন সান্ধা ৬ টার মধ্যে রাজ প্রাসাদে প্রবেশ করে। তবে রাজ কন্যা বুঝতে পাড়ছে না এমন কেন করা হচ্ছে। নীলিমা ছিলো বাদ্ধ প্রকৃতির মেয়ে সে তাদের কথা ঠিকই মেনে নিয়েছে যদিও মনে একটু খটকা রয়েছে।
নীলিমা একা একা বীর বীর করছে সবার কি হলো আমাকে তো কখনো কেউ কিছু করতে আটকায় না। এসব ভাবতে ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ তার হাত লেগে একটা ফুলদানি পরে গেলো ফুলদানিটা ভাঙলো না কিন্তু তার মধ্যোর গোলাপ ফুলটা তারা পা লেগে থেতলে গেলো সে ভেবেছিলো আজ গোলাপের পাপরি দিয়ে গোসল করবে তবে এই থেতলে যাওয়া গোলাপ দিয়ে কিভাবে কি করবে সে সঙ্গে সঙ্গে দাসিদের ডাকতে শুরু করলো তবে নিচের শরগোলের কারনে কিছুই শোনা যাচ্ছে না তাই রাজ কন্যা সিদ্ধান্ত নেয় যে সে নিজেই যাবে ফুল আনতে। তবে তারা যে বাইরে যেতে মানা করলো। তবে হঠাৎ নীলিমার মনে এই কথাটা এলো যে আমিতো রাজকন্যা আর ওরা দাসি ওদের কথা আমি কেন শুননো। সাধারণত সে এমন নয় সে সবাইকে সমান চোখে দেখা মানুষ তবে আজ তার কি হলো হঠাৎ। সে আর কিছুই ভাবলো না দিো জানালা দিয়ে একটা লাভ বাইরে প্রহরিরা ছিলো তবে সে কারো নজরে পরে নি। একটা প্রহরি হালকা শব্দ শুনতে পায় তবে বাকি প্রহরিরা তা মনের ভুল বলে চালিয়ে দে।
অন্যদিকে নীলিমা বাইরে খোলা তারাদের ম্ধ্যে হাটছে আজকের রাতটা তার কাছে ভিন্ন মনে হচ্ছে কেন জানি এক অদ্ভুত ভয় কাজ করছে তার মধ্যে অবশেষে সে তার গন্তব্যে পৌঁছাল তবে তার পোড়া কপাল সেখানে একটাও ফুল নেই সে ভাবতে বসলো এত বড় ফুল বাগান থেকে সব ফুল গেলো কোথায় তখনি তার মনে পড়লো আজ তো তার জন্মদিন সব ফুল হয়তো প্রাসাদের নিয়ে গেছে এবার সে কি করবে তখন ই তার মনে পড়লো একটা পরিত্যক্ত বাড়ি আছে র্যেখানে যারা থাকতো তারা একটা পোলাপ গাছ লাগিয়েছিলো সেটায় যদি ফুল থাকে তবে এত রাতে সে একা ঐ বাড়িতে কিভাবে যাবে কিন্তু যেতে তো হবেই তার আজ গোলাপের পাপরি দিয়ে গোসলের কথা ছিলো আজ জন্মদিনের দিন তারা আশা অসম্পূর্ণ থাকলে হয়তো সারা বছরি তার সব ইচ্ছা অসম্পূর্ণ থাকবে হঠাৎ তার মনে এক অদ্ভুত সাহস জেগে উঠলো এবং সে পা বাড়ালো তার ভাগ্যের দিকে।
পর্ব ৬ এর জন্য অপেক্ষায় থাকুন