বরফের রাণী পর্ব -৬
অবশেষে সে পা বারালো তার ভগ্যের দিকে ভগ্য বললে ভুল হবে দূর্ভাগ্য বলা যায়। সে প্রায় ৩০ মিনিট হাটার পর পৌঁছালো ঐ পরিত্যক্ত বাডিতে
অন্যদিকে রাজ বাড়িতে রাজ কন্যাকে ডাকার জন্য এক দাসি তার কক্ষে প্রবেশ করে কিন্তু সে কাউকে দেখতে পায় না। সঙ্গে সঙ্গে তার শরিরে যেন আতঙ্ক ভর করে সে চিৎকার করে প্রাসাদের সবাইকে জর করে। কোথায় গেলো রাজকন্যা এই কথা ভেবে সবাই যেন পাগলের মতো তাকে খুজছে।
অন্যদিকে রাজকন্যা দেখতে পেলো ঐ বাড়িতে শুধু মাত্র একটাই গোলাপ গাছ রয়েছে তার মধ্যো ফুলও রয়েছে একটা দেখে মনে হচ্ছে সবে ফুটেছে। সে কিছু না ভেবেই ফুলটা ছেড়ার জন্য এগিয়ে এলো যেই ফুলটায় হাত দিবে যাবে এমন সময় ফুল থেকে এক কালো আলোর রশ্মি বেরিয়ে এলো এবং এ রশ্মি থেকে অবির্ভাব ঘরটলো একটা পরির। সে প্রথমে ভয় পেলেও এখন সে হাসছে কারণ তার পরি দেখার এক আকাশ পরিমাণ ইচ্ছা ছিলো সে জন্মের পর আজ প্রথম পরি দেখলো পরিটা তার দিকে তাকিয়ে অদ্ভুত ভাবে হাসি দিয়ে বল্ল চিনেছ আমাকে
রাজকন্যা মুখে হাসি রেখে বল্ল আমি কিভাবে চিনবো আমি তো আজ প্রথম পরি দেখলাম। পরিটি আবার অদ্ভুত ভাবে হেসে বল্ল না তুমি আমাকে জন্মের পরের দিনই দেখেছ
রাজকন্যা চমকে উঠে বল্ল মানে! ( এটা সেই পরি যে তাকে অভিশাপ দিয়েছিলো) পরিটি বল্ল তুমি বুঝবে না, যাই হোক আজ তোমার জিবনে খুব বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে
রাজকন্যা নীলিমা বল্ল কি পরিবর্তন
পরি বল্ল এখন কয়টা বাজে
নীলিমা বল্ল ১১:৫৭
পরিটি বল্ল আর ৩ মিনিট পরই বুঝতে পারবে
নীলিমা কিছু বুঝলো না
হঠাৎ পরিটি উধাও হয়ে গেলো নীলিমার কেমন যেন লাগছে এত শীতেও তার অসম্ভব শরম লাগছে গায়ে থাকা গরম কাপর ছুরে ফেলে দিলো সে। তাও যেন গরম কমছে না হঠাৎ তার শরির থেকে নীল আভা বের হতে লাগলো সে চিৎকার করছে তবে কোনো আওয়ারজ হচ্ছে না অতপর এক পর্যায় সে অগ্গান হয়ে গেলো। সে যখন অগ্গান হলো তখন সময় ১১:৫৯ তার চোখ খুল্ল পুরো পুরি ১২ টায়। সে এখন আর মানুষ নেই সে এখন বরফের রাণী তার শরিরে এক ধরনের ভয়ঙ্কর কাপর মুখের দুইটা দাত ক্রমশ বড় হয়ে যাচ্ছে চোখ হয়ে উঠেছে রক্ত বর্ণ ধধারণ করেছে সে যেন নিজের ভেতরে নেই এর পর সে দ্রুত পায়ে ছুটে যায় প্রাসদের দিকে
পর্ব -৭ এর জন্য অপেক্ষায় থাকুন