বরফের রাণী পর্ব -১০
এর পর সে ঐ পুকুরের উদ্দেশ্যে চলে গেলো। পুকুরটিতে গিয়ে সে দেখতে পেলো পুকুরে মাছ কিলবিল করছে যেন অনেক দিন কেউ মাছ ধরে না তাহলে কি ঐ লোকটা সত্যি বলছিলো না না এটা কিভাবে সম্ভব এমনি আজব আজব চিন্তা আসছে নীলের মনে সে বুঝতে পারছে না সেকি ফিরে যাবে ঐ লোকটির কথায় ভরশা করে নাকি মাছ ধরবে শেষমেশ সে সিদ্ধান্ত নিলো সে মাছ ধরবে কারণ আজ মাছ না ধরলে যে তাকে না খেয়ে থাকতে হবে। শুরু করলো সে মাছ ধরা প্রতিবারেই অনেক অনেক মাছ উঠছে যা দেখে সে ভুলে গেছে যে এই রাজ্য নাকি বরফের রাণী আছে
অন্যদিকে রাতে দাসিটাকে মেরে তার রাক্ত খেয়ে ঘুমাচ্ছে নীলিমা। নীলিমা বল্লে ভুল হবে সে তো এখনো বরফের রাণী। সে সবে ঘুম থেকে উঠলো তার খিদে পাচ্ছে তবে সে এখন আর মানুষের খাবার খেতে পারবে না তার চাই মানুষের রক্ত সে এখন শিকারে বের হবে ভাবছে যেই ভাবা সেই কাজ বেরিয়ে পড়লো শিকারে বেরিয়েই হাতের কাছে শিকার পেয়ে গেলো সে তার ভাইকেই নিজের শিকার ভাবছে অতপর সে তার কাছে গেলো এবং তার পিঠে হাত রাখলো আচমকা হাত রাখার কারণে নীলের শরির ভয়ে হালকা কম্পিত হলো সসে পিছনে ঘুরে দেখতে পায় এক অদ্ভুত মহিলা তার পিঠে হাত রেখে দাড়িয়ে আছে তাদের চোখা চখি হতেই নীলিমার কেমন যেন লাগতে শুরু হলো তার তো এমন লাগার কথা না সে তো বরফের রাজ্যের রাণী তার কাউকে দেখে মায়া হতে পারে না তবে যতই হোক রাক্তের সম্পর্ক যদি তারা কেউ সেটা জানে না। সে তাকে মারলো না বরং বস করে নিলো। তাকে বস করার কারণ হলো তাকে দিয়ে মানুষ ধরে আনাবে এবং তাদের রক্ত খাবে। বস করার সাথে সাথেই সে নীলকে পাঠিয়ে দিলো শিকারে। সে প্রথমেই চলে গেলো তার নিজের বাড়ি তার বোন নীলা দেখে প্রশ্ন ছুড়লো কিরে আজ এত দেড়ি হলো আর মাছ কই নীলের মুখে কোনো জবাব নেই সে নীলাকে পাশ কাটিয়ে ঘরে চলে গেলো নীলা প্রথমে অবাক হলেও পরে ভাবে হয়তো মাছ পায় নি তাই মন খারাপ যদিও এমন ব্যবহার সে আগে করে নি তবে বয়সের সাথে সাথে তো সবই পালটায় নীলা আর বেশি কিছু না ভেবে জামাকাপড় ধুতে চলে গেলো নদীতে। ফিরে এসে সে দেখতে পেলো তার সখের বাগান আর বাগান নেই তা পরিনিত হয়েছে আগাছায় প্রত্যকটা গাছ ভাঙা আর তা ভাঙছে তারই ভাই সে হাত থেকে জামাকাপড় ফেলে দ্রুত চলে গেলো তাকে আটকাতে গিয়েই সে নীলের হাত থেকে লাঠিটা কেরে নিয়ে বল্ল কি করছিস এসব নীল কিছু বল্ল না এক অদ্ভুত হাসি দিলো। নীল লাঠিটা ফরে পাওয়ার জন্য নীলার থেকে হাত বাড়ালো তবে নীলা তা ছুরে দূরে কোথাও পাঠিয়ে দিলো তা দেখে নীলের চোখ রাগে রক্তিম বর্ণ ধারণ করলো এরপর সে যেটা করলো তা মটেও প্রত্যাসা করে নি নীলা সে তার বোনের গালে এক চর বাসিয়ে দিলো নীলা ফেল ফেল করে তাকিয়ে আছে নীলের দিকে নীল রাগি মুখ নিয়ে বাড়ি থেকে চলে গেলো রাজ প্রাসাদের দিকে বরফের রাণী তাকে পাঠিয়েছিলো তার শিকার আনতে তবে সে যেমন তার ভাইকে মারাতে পারেনি সে যে তার ভাই এটা না জানা সত্বেও সেখানে নীল যতই বসিভুত হয়ে থাকুক না কেন নীলা তো তার আপন বোন যেটা সে যানে তাই সে অন্য একজনে শিকার বানিয়ে পেশ করে বরফের রাণীর দরবারে অন্যদিকে নীলা এখনো ভেবে পাচ্ছে না তার হঠাৎ কি হলো মাছ না পাওয়ার কারণে কি এত রাগ করবে তার ভাই তো এমন না সে এতক্ষন কাদেনি তবে তার অজান্তেই তার চোখ থেকে দু ফোটা পানি বের হলো। এমন সময় আগমণ হলো এক পরির এটা সেই পরি যেই পরি তার বন নীলিমাকে অভিশাপ মুক্ত হওয়ার পখ বলে দিয়েছিলো
পর্ব ১১ এর জন্য অপেক্ষায় থাকুন