কোরানের আয়াত সংখ্যা নিয়ে একটা মতভেদ আছে। আমার এটা নিয়ে আমার জানার আগ্রহও ছিলো। আমার মতো অনেকের মাঝেই আশা করি এটা নিয়ে আগ্রহ থাকবে।
সন্দেহবাদী আর নাস্তিক ভাইয়েরা প্রায়ই এটা নিয়ে প্রশ্ন করে থাকে।
অনেক মুসলিম ভাইয়েরাও প্রশ্ন করে নিজেত পান্ডিত্য জাহির করার জন্য।
একটু চেষ্টা করলেই ব্যাপারটা খুব সহজেই পরিস্কার হওয়া যায়।
এই আয়াত সংখ্যা হিসাবায়নের পার্থক্য হওয়ার পেছনে পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। প্রথমত 'বিসমিল্লাহ' কে কোন স্কলার কোরানের একটি আয়াত হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। যারা এটিকে কোরানের আয়াত হিসেবে করে থাকেন না তারাও তিলাওয়াতের শুরুতে এটি পড়ে থাকেন। এটাই নিয়ম। এই কারণে আয়াত সংখ্যার পার্থক্য হতে পারে।
আবার বড় আয়াতের মাঝে পড়ার সুবিধার জন্য একাধিকবার থামা যায়। এসব বড় আয়াতকে একাধিক আয়াত হিসেবেও অনেকে বিবেচনা থাকে। ফলে এসব কারণে আয়াত সংখ্যার একটা পার্থক্য তৈরি হয়ে যায়।
অর্থাৎ মূল কোরানের কোন পরিবর্তন আনা হয়না। শুধু আয়াত সংখ্যা হিসাবায়নের ক্ষেত্রেই পার্থক্য হয়ে থাকে। আর এটা কোন বিতর্কিত বিষয়ও নয়।
কিছু স্কলারের মত অনুযায়ী কোরানের আয়াত সংখ্যা ৬২৩৬। এটিই বেশিরভাগ মানুষ গ্রহণ করে থাকেন। অপর মত অনুযায়ী ৬২৬৪।
তবে কোরানের আয়াত সংখ্যা ৬৬৬৬ হওয়ার স্বপক্ষে কোন প্রমাণ নেই।
19
View