কম্পিউটার অপারেটর থেকে শিক্ষা কর্মকর্তা. বিতর্কিত পদোন্নতি রিভিউ হবে: শিক্ষামন্ত্রী

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ৮২ জন কর্মচারীকে সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে আছেন কম্পিউটার অপারেটর, সাঁটলিপিকার, উচ্চমান সহকারী, হিসাবরক্ষক কাম কেরানি সহ আরও কয়েকটি পদের কর্মচারী। খবরটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই অনেক শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনা চলছে।
বুধবার সচিবালয়ে এই বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে নতুন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, তিনি বিষয়টি জানতেন না। কীভাবে এই সিদ্ধান্ত হলো, তা এখন খতিয়ে দেখা হবে। তিনি জানান, পুরো প্রক্রিয়া রিভিউ করা হবে। এ সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন।
২৩ ফেব্রুয়ারির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নিয়োগ বিধিমালা ২০২১ এবং পিএসসির সুপারিশ ধরে ৮২ জনকে ১০ম গ্রেডে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষকরা প্রশ্ন তুলছেন, অফিস সহকারী বা কম্পিউটার অপারেটরদের শিক্ষা কর্মকর্তা করা হলে শিক্ষা মান কীভাবে ঠিক থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পদোন্নতির ফাইল কীভাবে অনুমোদিত হলো, সেটিও তিনি জানেন না। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নথি এনে দিতে বলেন।
পদোন্নতির ফাইলে সই করেননি মন্ত্রী
সন্ধ্যায় শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, এই পদোন্নতির নথিতে তিনি সইই করেননি। মন্ত্রী হওয়ার পর তিনি মাত্র তিনটি ফাইলে সই করেছেন—দুইজনের বিদেশযাত্রা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগের ফাইল। বিস্তারিত…