বরফের রাণী পর্ব -১২ ও শেষ পর্ব
নীলাকে সব কিছু বুঝিয়ে পরি চলে গেলো। নীলা প্রাসাদের দাসিদের কাছে গেলো ঐ রাতে বরফের রাণীতে রুপান্তরিত হওয়ার আগে সে কোথায় ছিলো। কিছু দাসি তাকে বল্ল সে হয়তো গোলাপ ফুল আনতে গিয়েছিলো। এরপর নীলা রাজ্যের যত গুলো গোলাপ বাগান ছিলো সব তন্য তন্য করে খুজে তবে কিছুই পায় না সব শেষে সে ঐ বাগানটায় গিয়ে পৌছায় যেখানে নীলিমা শেষ বারের মতো গিয়েছিলো সেখানে সে একটা গোলাপ দেখতে পায় যা মাটিতে পড়ে আছে সে গোলাপটি তুল্ল এবং গোলাপটিকে ভালো করে পর্যবেক্ষন করলো পর্যবেক্ষন করে সে দেখতে পেল গোলাপের ডাটায় একটু রক্ত লেগে আছে তার আর বুঝতে বাকি রইলো না সে তার কাংক্ষিত বস্তু পেয়ে গেছে এরপর সে দৌড়ে প্রাসাদে যায় তবে প্রাসাদে কেউ ছিলো না সেখানে সে কিছু দাসিদের দেখতে পায় তাদের জিজ্ঞেস করলে সে জানতে পারে সে এখন বরফের রাজ্যে চলে গেছে। নীলার যেন মাথায় বারি পরলো এবার কিভাবে সে তার ভািকে দেখবে আর কিভাবেই বা তার বোনকে অভিশাপ মুক্ত করবে সে তো বরফের রাজ্য চেনে না হঠাৎ তার হাতে থাকা গোলাপ ফুলটি বাতাসে উড়ে যেতে লাগলো সে তার শেষ আশাকে এভাবে যেতে দিতে পারে না তাই সে ঐ ফুলটার পিছনে ছুটতে লাগলো ছুটতে ছুটতে সে এক অচেনা জায়গায় এসে পৌছালো সে সামনে একটা গেট দেখতে পাচ্ছে তার ইচ্ছা হলো তাতে প্রবেশ করার যেই ভাবা সেই কাজ সে ঐ গেট দিয়ে প্রবেশ করা মত্রই ভিতরে একটা সুন্দর রাজ্য দেখতে পেলো আর দেখতে পেলো একটা পরি
পরিটি তাকে বলৃল গ্রীষ্ম রাজ্য তোমাকে স্বগতম
নীলা অবাক হয়ে বল্ল এটা গ্রীষ্ম রাজ্য
পরিটি বল্ল হ্যঁ তবে তুমি এখানে কিভাবে এলে এর পর নীলা তাকে সব ঘটনা খুলে বল্ল
সব শুনে পরি বল্ল তুমি যদি বরফের রাজ্যে যেতে চাও তাহলে তোমাকেআরো সামনে যেতে হবে
এরপর নীলা গ্রীষ্ম পরিকে বিদায় দিয়ে আবার সামনে যেতে লাগলো আরো কিছু দূর যাওয়ার পর সে আরেকটা রাজ্য দেখলো সে সেখানেও প্রবেশ করলো নীলা সেখানেও একটা পরি দেখলো
পরিটি তাকে বল্ল তুমি কে এখানে কিভাবে এলে
নীলা তাকেউ সব খুলে বল্ল
ওটা ছিলো বর্ষা রাজ্য হিসাব অনুযায়ী পরিটি হলো বর্ষা পরি
বর্ষা পরিও তাকে সবনে যেতে বলে
সে আবারও সামনে যায় এবার সে শরৎ রাজ্যে পৌছায় সেখানেও তার সাথে তাই হয় যা আগের দুই রাজ্যে তার সাথে হয়েছিলো সে সেখান থেকেউ নিরাশ হয়ে চলে আসে কেউ তাকে বরফের রাজ্যের ঠিকানা বলতে পারছে না এরপর সে যায় হেমন্ত রাজ্য এখানে থাকা পরি তাকে আশ্বাস দেয় যে এর পরেই বরফের রাজ্য সে আন্দের সাথে সামনে এগোয় তবে সামনে তো বরফের রাজ্য না সামনে তো বসন্ত রাজ্য দেখা যাচ্ছে সে সেখানে একটা পরি দেখলো সে পরিটাকে জিজ্ঞেস করলো এটা বরফের রাজ্য না
পরিটি মুচকি হেসে জবাব দিলো না এটা বরফের রাজ্য ছিলো তবে এখন নেই
নীলা বল্ল মানে
পরিটি বল্ল আসলে একজন নতুন বরফের রাণী এসেছে যে সবার শেষে থাকতে চেয়েছে কারণ শেষের রাজ্যটা সব থেকে বড়
নীলা বল্ল সে চাইলো আর আপনারা দিয়ে দিলেন
পরিটি বল্ল না এ নিয়ে অনেক ঝামেলা হয়েছে তবে সে সব থেকে শক্তিশালী তার সাথে লাগতে গেলে দেখা যাবে সে সব ধংশ করে দেবে
নীলা মনে মনে বল্ল আমি একা কিভাবে লরবে এই শক্তিশালী বরফ কন্যার সাথে সে আর কথা না বাড়িয়ে সামনের দিকে যেতে লাগলো
াবশেষে সে তার গন্তব্য পৌছেই গেলো সে সামনে একটা বড় প্রাসাদ দেখলো যা বরফে ঢাকা সে বেশি দেরি না করে ঐ প্রাসাদে প্রবেশ করলো সে ঢুকেই দেখতে পেলো বরফের রাণী সিংহাসনে বসে আছে আর তার ভাইকে দিয়ে সে পা টেপাচ্ছে সে দৌড়ে গিয়ে তার ভাই জোরিয়ে ধরলে তবে তার ভাই তাকে দুরে ঠেলে দিলো নীলা বুঝতে পারলো সে এখনে নীলিমার বসে রয়েছে
নীলিমা তাকে দেখে বল্ল এই মেয়ে তুমি কে
নীলা বল্ল আমি তোমার আর ওর বোন
নীলিমা বল্ল আমার কোনো বোন নেই
নীলা বুঝতে পারলো এভাবে কাজ হবে না সে দেড়ি না করে ঐ গোলাপটা তাকে ছোয়ালো সঙ্গে সঙ্গে তার বরফের রাণীর অভিশাপ কেটে গেলো
তবে সে নীলাকে চিনতে পারছে না অন্যদিকে নীল এরও হুস ফিরেছে সে নীলাকে প্রশ্ন করছে আমরা এখানে কেন
হঠাৎ ঐ সময় দুইটা পরি উপস্থিত হয় এই দুজন তারা যাদের একজন অভিশাপ দিয়েছিলো আর যাদের একজন অভিশাপ থেকে মুক্তির পথ বলেছিলা তারা দুজন অতিতের সকল ঘটনা খুলে বলে যেই পরিটা অভিশাপ দিয়েছিলো সে এখন লজ্জিত
নীলিমা, নীল ও নীলা সব জানতে পেরে বেশ অবাক হয়েছে
এরপর তারা তাদের রাজ্য চলে গেলো রাজ্যর সবাই আজ আনন্দে আত্ত হারা রাজ্যে যেন খুশির ঢল নেমেছে এরপর থেকে তারা তিন ভাই বোন ও রাজ্যের সবাই সূখে শান্তিতে থাকতে লাগলো
বিশেষ উক্তি : ধন্যবাদ বরফের রাণী উপন্যাসটাকে এত ভালোবাসা দেওয়ার জন্য এই ভালোবাসার কারণে আসছে নতুন উপন্যাস সাগর কন্যা
আসছে : সাগর কন্যা
কাল থেকে