হায়রে প্রেম, হায়রে ভালোবাসা
উর্বর ভূমিতে অজেয় চাষা।
বিশ্বমহল নাকাল যেন,
অলব্ধ সংকল্প মানবিক হেন,
অপ্রাপ্ত মনের বিলীন আশা,
নিজের খেয়ে আপন মনের-
দূরস্থিত অপরজনের-
অযাচিত এক অপূর্ণ প্রত্যাশা।
কিসের এত বিড়ম্বনা?
এ মন কেন অন্যের হোতা?
নিরীহ এই শান্ত মনের—
এ কেমন হতোতা।
হায়রে প্রত্যাশা—
ওহে নিরঙ্কুশ ব্যথিত মন।
অজ্ঞাত কেমনে আপনজন!
যেন নিজের ঘরে অন্যের আসন,
শান্ত মনের তিক্ত নাশন,
ব্যর্থতাই যেন প্রকৃত শাসন,
ভালোবাসার এক অনুচিত পেষণ।
হায়রে ভালোবাসা—
ঢেলে দাও যদি উপুড় করে,
চুকে নাও যদি প্রাণ ভরে,
তবুও থাকে কি নিজ ঘরে?
উপচে পড়বেই অন্যের তরে।
তবুও ভালোবাসার নেই ক্ষয়!
হোক সে বিপথগামী,
তবুও অনেক দামি,
যার কপালে সয়।
কয়জনের মুখেই বা হাসি ফোটে?
কয়জনই বা সফল হয়?
ভালোবাসার নেই তবুও নাশ,
সুনির্মল আজও সুদূর আকাশ,
এখনও বয় সুরেলা বাতাস,
এখনও ফুলে ভ্রমর বসে;
মানুষরূপী ভ্রমর দাস।
এখনও বৃষ্টি ঝরে,
দেখতে পাই সবুজ ঘাস।
এখনও তো নিতে পারছি—
বাংলার বুকে মুক্ত শ্বাস।
ভালোবাসা যায়—
কাছে আসা যায়—
ধরে রাখা বড় দায়।
অণীয়ান প্রত্যাশায় সীমাবদ্ধ টানা—
ঘোরতর অন্যায়।
ভালোবাসা আছে—
চিরকাল রবে,
এই ধরা দৃশ্যত যবে।
বিক্ষত মনের খবর কেউ কি রাখে?
নিস্তব্ধ গলার করুণ কান্না—
কেউ কি দেখে?
দেখবেই বা কবে!
যদ্দিন না ভালোবাসার মানুষ-
ভালোবাসায় সাড়া দেবে।