অনেক সময় ভাইয়ে ভাইয়ে কোন কারণে ঝগড়া লাগতে দেখি৷ তবে আশপাশে এমন মানুষও থাকে যারা সে ঝগড়াকে মারামারিতে রুপান্তর করতে উৎসুক হয়ে থাকে। অথচ আমাদের দায়িত্ব মানুষের মাঝে উত্তম উপায়ে ঝগড়া মিটিয়ে দেওয়া।
এমনকি ইসলাম মানুষের মাঝে ঝগড়া মিটানোর জন্য একটা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত মিথ্যা বলারও অনুমতি দিয়ে রেখেছে।
চলতে ফিরতে মানুষের মাঝে ঝগড়া লেগে যায়। রোজার মাস আমাদের ধৈর্য শিক্ষা করার মাস। তারপরও রোজার মাসে অনেকের ঝগড়া হয়৷
সারাদিন না খেয়ে থাকা সহজ, কিন্তু ইগো নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। আসলে সারাদিন না খেয়ে থাকলে অনেকের মাথা কিছুটা গরম থাকে। কেউ আবার এমনিতেই মাথা গরম চরিত্রের মানুষ।
তবে সবচেয়ে ভয়ংকর হলো যারা অন্যের ঝগড়া দেখে মজা পায়। জীবনে অনেক ঝগড়া হতে দেখেছি৷ বাসে একজন না দেখেই আরেকজনের পা মাড়িয়ে দিলো, আর লেগে গেলো ঝগড়া। এমন দৃশ্য হরহামেশাই দেখা যায়।
সমস্যা হলো আগুনে ঘি ঢালে আশেপাশের মানুষ। নানা রকম ব্যাক সাউন্ড করে তারা ঝগড়া করতে উৎসাহ দেয়। এমন মানুষ খুব কম পাওয়া যাবে যারা ঝগড়া থামানোর জন্য চেষ্টা করে।
নবীজী সা: এর হাদিস অনুযায়ী, বিশৃঙ্খলা হত্যার চেয়ে জঘন্য। অথচ এমন অপরাধ হাশিমুখেই করে থাকে। সবচেয়ে বড় এটাকে অনেকেই অপরাধ মনেও করেনা।
ঝগড়ারার আশেপাশে থেকে প্রায়ই শোনা যায়,"হাত থাকতে মুখে কেন?" ইত্যাদি সব ব্যাক সাউন্ড। তারা সামান্য বিবেক খাটিয়ে দেখেনা কি করছে। অথচ একই অবস্থানে অন্যদিন হয় সে নিজেও থাকবে।
আমাদেরকে অবশ্যই আল্লাহর কাছে প্রত্যেকটি কাজের হিসাব দিতে হবে। সেটা যত ছোট কাজই হোক না কেন৷ আমরা যেন এমন কাজ না করি যে বিচার দিবসে আমলনামা নিতে গিয়ে লজ্জায় পড়ে যাই।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সেই তাউফিক দান করুন।