এক শ্রেণির মানুষ দেখা যায় যারা মাদ্রাসা এবং এতিমখানার ঘোর বিরোধী। তাদের মাঝে কেউ কেউ মনে করে মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা উচিত। এই কথা সত্য। প্রাচীন পদ্ধতিতে পড়ানো হয়। একজন শিক্ষক অনেক ছাত্রকে একসাথে পড়ায়।
তবে যারা মাদ্রাসার শিক্ষা পরিবর্তনের কথা বলেন তারা আবার আলেম সমাজকে পাশ কাটিয়ে পরিবর্তন করতে চান। এদিকে আলেম সমাজ ইচ্ছে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার প্রাণ।
শাহরিয়ার কবিরের মত ইসলামবিদ্ধেষীরা মাদ্রাসার শিক্ষার কি পরিবর্তন আনতে চায়৷ তারা কিসের পরিবর্তন আনবেন? এরা তো মাদ্রাসায় ইসলামিক শিক্ষাটাই বাদ দিয়ে বসে থাকবে। অথবা তাদের কাটছাট করা ইসলামী শিক্ষা সেখানে চালাবে তখন। এটাই হলো মায়ের চেয়ে মাসির দরদ।
এদিকে এসব কথা যারা বলে তারা মাদ্রাসায় কেউ ফাণ্ড দিতে চায়না। ফান্ড না আসলে কিভাবে চলে? সেখানে জনসাধারণের সামান্য কিছু দানের পয়সায় চলে এসব মাদ্রাসা। অনেক ক্ষেত্রে আবার শিক্ষকগণও ঠিকমতো বেতন পায়না।
আবার অনেকের কথা সরাসরি এসব মাদ্রাসা বা এতিমখানা উঠিয়ে দিতে হবে। কারণ এখান থেকে উনাদের মতে তথাকথিত মানসম্মত শিক্ষা পাওয়া যায়না।
দরিদ্র এবং ছেলেমেয়েরা এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেয়ে না খেয়ে পড়াশোনা করে থাকে। এরা তো আমাদের মূল আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ছিটকে পড়েছে।
এখন এই মাদ্রাসা আর এতিমখানার ব্যবস্থা উঠিয়ে দিলে এসব ছেলেমেয়ে যাবে কোথায়? দেশে তো এমনিতেই ছিন্নমূল, নেশাখোর, ছিনতাইকারীর অভাব নেই।
তার উপর মাদ্রাসা আর এতিমখানাও অনেকের চুলকানির কারণ। এক টাকা সাহায্য-সহযোগিতা করার মুরোদ নেই, কিন্তু বড় বড় কথা বলতে পারে এরা।
18
View