"আর যিনার ধারে-কাছেও যেও না, নিশ্চয় তা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ।" সুরা বনী ইসরাইল, আয়াত ৩২
অর্থাৎ শুধু যিনা করতেই নিষেধ করা হয়নি। ইসলামে এটা থেকে অনেক দূরে থাকতে বলা হয়েছে। কারণ এটি একটি সমাজকে এবং তার যুব সমাজকে ধংসের দিকে নিয়ে যায়। একবার এর ফাদে পা দিলে ধংস অনিবার্য।
পর্ন এমন একটি দুনিয়া যা কোটি কোটি মানুষকে ভ্রান্ত পথে পরিচালিত করছে। ভারতের একজন পর্ন স্টারের সাক্ষাৎকার দেখছিলাম। তিনি বলছিলেন যে এটা সবটাই ভুয়া। তারা এটাকে এনজয় করেননা। এটা তাদের জন্য একটা কাজ। ক্যামেরার সামনে সিন তৈরি করার জন্য অনেক কষ্ট হওয়ার পরেও ভুয়া এক্সপ্রেশন তৈরি করতে হয়। এমনকি এসব করতে গিয়ে তারা অসুস্থও হয়। অথচ এসব নোংরা জিনিস আমাদের যুব সমাজকে ভুল পথে নিয়ে যাচ্ছে।
আবার একটা টার্ম 'সফট পর্ন' ছাত্রজীবনে শুনেছিলাম। সিনেমার বিভিন্ন অশ্লীল দৃশ্য থাকে, যা সরাসরি পর্ন না হলেও তার কাছাকাছি৷
এটি আমাদের যুব সমাজের জন্য আরো ভয়াবহ৷ পর্ন হয়ত অনেকে ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ করে রাখা হয়৷ কিন্তু টেলিভিশনের নাটক, বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে মুভিগুলোতে এর ছড়াছড়ি। এসব দেখে ডোপামিন নিসরণ হয়৷ ফলে নেশা দ্রব্যের মতো এটি সবাইকে আকর্ষণ করে৷
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও এসব ছড়িয়ে পড়েছে। অর্থ আর যশের পেছনে ছুটতে যুবতীদের একটা বড় অংশ এখন নিজেকে যোগাযোগ মাধ্যমে বিক্রি করছে।
আবার বলিউড অভিনেত্রীরা এমন সব দৃশ্যে অভিনয় করছে যা এক কথায় নোংরা। এদের আবার স্বামী সংসারও আছে। তারা দাবী করে এসব নাকি কাহিনীর প্রয়োজনে৷ কাহিনির প্রয়োজনে নিজের পোশাক খুলতেও যাদের লজ্জা হয়না তারাই আজকে আমাদের সমাজে সবচেয়ে সম্মানিত। সময় অথবা সমাজ কোন একটা অবশ্যই উল্টোপথে যাচ্ছে৷ কারণ বর্বরতার যুগে মানুষেরা এত পোশাক পড়তো না বলে শুনি।
এসব ভিডিও দেখেই অনেক ক্ষেত্রে মানুষ ধর্ষকামী হয়৷ মানুষ তার উতপাদনশীলতা হারায়। ইতিহাসে যুব সমাজের জন্য এটাই সবচেয়ে কঠিন সময়। যুব সমাজের উচিত নিজের চোখের হেফাজত করা৷ ইসলামে নারীকে পর্দা করার সাথে সাথে পুরুষকে তার চোখের হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷