গোধূলিটা বরুণ রঙে ডাকে রাত্রিকে
রাতের গায়ে সুবাস মাখায় হাসনাহেনাতে
প্রভাত বেলা দিবাকরের আগমন কালে
অভ্যর্থনা জানায় তাকে ফুলের কলিতে।
পাহাড় দৃঢ় মাথা তুলে মেঘের সাথেতে
মনের সকল কথা বলে কানে কানেতে
সাগর নদী বসে দুজন মোহনা কুলে
নিবির ভাবে যায় যে মিশে একই ধারাতে।
গাছের পাতা আলাপ করে বাতাসের সাথে
কোমল লতা আঁকড়ে রাখে বৃক্ষরাজিকে
সবার সুখের থাকে সাথি জীবন প্রবাহে
সাথি ছাড়া সুখের বাতি জ্বলে না মনে।
শান্তির সকল আধার করে বিধাতা নিজে
সুখের নহর বয়ে দিছে স্বর্গ ভূমিতে
সেই নহরও বিরান হতো যদি সেখানে
মনের মতো সাথি খুঁজে না পেতো লোকে।
মাঝি ছাড়া নৌকা যেমন থাকে বিপদে
পথ হারিয়ে যায় যে চলে অন্ধকার ঘোরে
সাথি ছাড়া জীবন তেমন গন্তব্য হীনে
নিরাশাতে থাকে বেঁচে হতাশা নিয়ে।
মানব জীবন স্বার্থক করতে পূর্ণ উদ্যমে
ভালোবাসার উষ্ণ ছোঁয়ার চেতনা পেতে
এই জীবনের স্বপ্ন গুলো পূরণের তরে
মনের মতো একটা সাথির প্রয়োজন আছে।
তাই তো আমি হৃদ মন্দিরের শূন্য বেদীতে
গুণ সৌন্দর্যে আলোকিত মানবীর রূপে
প্রেমিক দেবীর অভাবটা যে পূর্ণ মাত্রাতে
বুঝতে ছিলাম অনুক্ষণে আমার জীবনে।
সেই অভাবের শূন্য স্থান পূরণের স্বার্থে
গ্রহের মতো আপন অক্ষে প্রেমের পথ ধরে
নিরবচ্ছিন্ন সময় দিয়ে শুদ্ধ মানসে
হন্যে হয়ে ঘুরতে ছিলাম প্রিয়ার সন্ধানে।
ঘুম বিহনে জেগে জেগে রাতের নির্জনে
মনের সাথির আঁকতাম ছবি অবচেতনে
একলা নীরব শূন্য হাতে আপন মনেতে
প্রেম আবেগে ডুবতে ছিলাম রাতের মায়াতে।
রাতের আকাশ ছিলো ভরা তারার প্রদীপে
সাদা মেঘের ভেলা গুলো আপন মনেতে
ভেসে ভেসে তারা যেন মধুর সুরেতে
গাইতে ছিলো হৃদয়ের গান আকাশের নীলে।
জোছনা ধারায় রাত ভাসিয়ে একলা নীরবে
শশী যেন চলতে ছিলো মন্থর গতিতে
পাহাড় নদী শতো বাঁধা পড়ি দিয়ে সে
ছিলো যেতে অজানা কোন্ মায়ারো দেশে।
নদীর বুকে জল তরঙ্গ আপন খুশিতে
ঢেউয় ঢেউয়ে ঢেউ তুলেছে নৃত্যের তালেতে
হাওয়ার সাথে গল্প করে দলে দলেতে
কুলে কুলে আছড়ে পড়ছে মধুর ধ্বনিতে।
6
View