দৃশ্য অনেকটাই বদলে গেছে।
বাড়ি কোথায় জানতে চাইলে আগে শুনতাম, জলঢাকা, আদিতমারি, গংগাচড়া কিংবা ফুলছড়ি। ইদানীং দৃশ্যপট অনেক খানি বদলে গেছে। ইদানীং বললেও ভুল হবে। কয়েক বছর ধরে রিকশায় উঠলে প্রায় নিজ জেলার মানুষদের দেখা পাই।
২ দিন আগের কথা। জিজ্ঞেস করায় রিকশাওয়ালা জানালো, বাড়ি দিনাজপুর। ঘোড়াঘাট, রাণীগঞ্জ বাজার। নাম ওয়াজেদ আলী। তাঁর কথায় কথায় জানতে পারলাম, ধান চাষ করে ধরা খাচ্ছে। ধান কাটা হলে দাম কমে যায়। টিকে থাকা দায় হয়ে গেছে। এবার ৩ বিঘা জমি কট (লিজ) নিয়ে আলু চাষ করেছিলেন। নিট ৬০ হাজার টাকা লস। ৩ মাসের নিজের মজুরি ধরলে সেটা আরও বেশি। নিরুপায় হয়ে ঢাকায় এসে রিকশা চালাচ্ছেন।
শুনেছিলাম, বৃহত্তর দিনাজপুরে মোট ধানের ১৫% উৎপাদিত হয়। দেশের মানুষের চালের চাহিদা মিটিয়ে নিজেরা আধপেটা থাকছে। সহ্য করতে না পারলে ঢাকায় রিকশা চালায়। পেটের দায়ে ধান চাষ বাদ দিয়ে অনেকে ছোট ছোট পেশায় ঢুকে যাচ্ছে।