মনে হলো প্রেমের ঈশ্বর আমার কানেতে
ফিসফিসিয়ে বললো যেন একি নিশ্বাসে
এই রূপসী তোমার জন্য স্বর্গ লোকেতে
করছে সৃজন ঈশ্বর বসে নিজের পছন্দে।
তার সাথেতে দেখা হবে এটার কারণে
আশেপাশের সকল কিছু হৃদয় মিলনে
করছে যেন আয়োজন সব তুমুল আনন্দে
তাই প্রকৃতি সাজছে আজি মনোরম রূপে।
ওই দিবসের আকাশ ছিল শুভ্র মেঘ ভরে
রংধনুটা মেঘের কোলে দূরের দিগন্তে
যেন কোনো শিল্পীর হাতের তুলির আঁচড়ে
আলপনটা এঁকেছিলো সপ্ত রঙেতে।
সবুজ বনের গাছে গাছে আপন নীড়েতে
পাখিরা সব গাইতে ছিলো মিষ্টি সুরেতে
কিছু পাখি মনের সুখে ডানা মেলিয়ে
উড়তে ছিলো গানের সাথে আকাশের বুকে।
ফুলের রঙে মনে হলো নতুন করে কে
মেখে দিছে আরো রঙের রঙ্গলীলাকে
বাগান গুলো ছিলো ভরা ফুটন্ত পুষ্পে
চারিদিকে; তার সুরভি গেছে ছড়িয়ে।
যার কারণে প্রকৃতি আজ নব আদলে
সেজেছে তার সর্বোচ্চটা সাঁঝের মায়াতে
সেই সুন্দরী লীলাবতী এই না মূহুর্তে
আমার থেকে সে যে ছিলো একটু তফাতে।
লাল শাড়িটা পড়েছিলো সে তো সেদিনে
মনে হলো জবা ফুলের একটি কলি যে
ছড়িয়ে তার লালের আভা স্বভাব সুলভে
দুলতে ছিলো সবুজ শাখে মনের আনন্দে।
তার যে লালে রূপের দড়ি বাঁধছে কষনে
চোখের তারা উঠছে ভরে প্রেমের নেশাতে
হৃদয়ের সব সুপ্ত বাসন গন্ডি পেরিয়ে
নাচছে যেন বুঁদ হয়ে যে মাতালের তালে।
হাত দুটি যে ছিলো ভরা রেশমি চুড়িতে
তার ঝলকানি মনের ভিতর মিষ্টি দংশনে
কাম বাতাসে উড়িয়ে পাল তরীর মাস্তুলে
প্রেমের তরী দিছে ভাসায় ভরা যৌবনে।
পরমাণুর বৃত্তে যেমন দুটি আধানে
পরস্পরের টানে কাঁপে পরম আবেশে
তেমনি যেন অজানা কোন সুপ্ত আবেগে
মৃদু মৃদু কাপন ছিলো তার দুটি ঠোঁটে।
পটল চেরা ডাগর দুটি নয়নের মাঝে
হৃদ কামনার মায়ার বাসর সাজিয়ে রেখে
সে যেনো তো চলছে বয়ে স্বপ্ন কুড়িয়ে
অজানা কোন প্রেমের দেশে হৃদয় হাঁকিয়ে।
রূপের কথা বলবো কি আর বর্ণনা করে
শশীর শোভা হতো মলিন তার যে বদনে
কোমল বাহুর ভরাট আভা দেখে বয়নে
প্রেম তরঙ্গ উঠেছিলো আমার পরানে।
25
View