Posts

গল্প

অন্যায়-অপরাধের সাক্ষী

April 8, 2026

Md. Anwar kadir

15
View

কলেজে পড়ার সময় কয়েকজন অদ্ভুত রকমের নতুন বন্ধুর সাথে পরিচয় হয়। তাদের মাঝে একটা প্রবনতা লক্ষ্য করতাম। তারা যে নিজের চরিত্রের খারাপ কিছু বলে নিজেকে বড় মনে করতো। এটা করে নিজের বড়ত্ব জাহির করার চেষ্টা করতো। 
আসলে অনেকটা সবার মনে আতংক ধরানোর জন্য এসব করতো। অনেক ক্ষেত্রে বাড়িয়ে চাড়িয়েও তারা বলতো। 
কেউ কেউ আবার নারী প্রসঙ্গেও অনেক ভাষায় কথা বলতো। নিজের অপরাধ বা অন্যায়ের কথা বলে এক ধরনের পাশবিক আনন্দ পেতো৷ 
তাদেরকে একদিন আমাদের মাঝে একজন থামিয়ে দেয় একটা হাদিসের কথা বলে। 
নবীজি সা: বলেন,“আমার সকল উম্মত ক্ষমা পাবে, তবে পাপ-প্রকাশকারী ব্যতীত। আর এক প্রকার প্রকাশ এই যে, কোনো ব্যক্তি রাতে কোনো পাপকাজ করে, যা আল্লাহ গোপন রাখেন; কিন্তু সকাল বেলা সে বলে বেড়ায়, ‘হে অমুক! আমি আজ রাতে এই এই কাজ করেছি।’ অথচ সে এমন অবস্থায় রাত্রি অতিবাহিত করেছিল যে, আল্লাহ তার পাপ গোপন রেখেছিলেন; কিন্তু সে সকালে উঠে তার উপর আল্লাহর আবৃত পর্দা খুলে ফেলে।"
(সহীহ বুখারী-৬০৬৯)
এই হাদিসটি আগে আমরাও শুনিনি। শোনার পর পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গেলো সবার৷ আমরা সবাই নিজের ছোট-বড় কুকর্মের কথা মানুষের সাথে শেয়ার করি। 
মানুষ গোপনে যে অন্যায় করে, আল্লাহ চাইলে তা গোপন রাখতে পারেন এবং তওবা করলে ক্ষমা করেও দিতে পারেন। তবে অন্যকে সেই অন্যায়ের সাক্ষী বানানোর পর তা আর গোপন থাকেনা। এমন অপরাধের গোনাহ থেকে ক্ষমা পাওয়ায়ায়াটাও কঠিন হয়ে যাবে৷ 
আমাদের সকল প্রকার অন্যায়-অপরাধ থেকে দূরে থাকা উচিত। কোন অন্যায় হয়ে গেলে তা গোপন রেখে আল্লাহর কাছে তওবা করে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।

Comments

    Please login to post comment. Login