অভিশপ্ত প্রাসাদ পর্ব -১
রুবেলকে ছাড়া এক মুহুর্তেও থাকতে পারে না হিমেল, সেই হিমেল আজ প্রায় ৭ দিন যাবত তার ভাইকে দেখে না কিন্তু কি আর করার সুস্থতা অসুস্থতা সব আল্লার হাতে এমনি সব সময় তাদের জ্বর শরদি সব এক সাথে লাগে যতই হোক তারা যমজ ভাই তবে এবার কেন শুধু রুবেল অসুস্থ হলো সেও তো হতে পারতো তাও যদি এখানে ভালো ডাক্তার পাওয়া যেত তাকে নাকি ঢাকায় নিয়ে যেতে হবে আজ ৭ দিন যাবত সে হাসপাতালে ভর্তি তার খুব খারাপ লাগছে রুবেলের সাথে কলেজে যাবে ভেবে আজ ৭ দিন সে কলেজে যায় না একবারে তার সাথেই যাবে সাধারণত ভাইদের মধ্যে এত মিল দেখা যায় না তবে তাদের এত মিল দেখে কে বলবে তারা ভাই শুধু কি জময দেখে তাদের এত মিল হতেও পারে এসব ভাবতে ভাবতেই বিকেল গড়িয়ে যায় রাসেলের, তার খুব ভালো লাগে যখন তার দুই ছেলের এমন মিল দেখে হিমেল বারবার বাড়ির গেটের সামনে যাচ্ছে আর ঘরে ঢুকছে কারণ আজ রুবেলের ফিরে আসার কথা, রাসেলও বেশ উত্তেজিত কারণ আজ রুবেলের সাথে হেমাও ফিরে আসবে কতদিন দেখে না তার প্রিয়শিকে তাদের বিয়ের প্রায় ২০ বছর হয়ে গেছে তাদের ১৮ বছরের দুইটা টকবগে যুবক ছেলে আছে তবে তাদের দুজনের প্রতি ভালোবাসা কমেনি কারোরি আজও রাসেল হেমাকে ততটাই ভালোবাসে যতটা যুবক বয়সে ভাসতো। আছরের আজার দিচ্ছে আজ হিমেল বা রাসেল কেউই নামাজে যাবে না কারণ তাদের আসার সময় হয়ে গেছে তারা নামাজ পরে কাজা করে নিবে, অবশেষে তারা ফিরে আসলো রুবেল তার ভাইকে দেখে এক দৌড় দিয়ে তাকে জরিয়ে ধরলো হিমেলও তাই করলো হেমা আর রাসেল মুচকি হাসছে তাদের কান্ড দেখে রাসেলেরও হেমাকে জরিয়ে ধরতে ইচ্ছা করছে তবে এত বড় ছেলেদের সামনে কিভাবে ধরবে হেমা রাসেলের অভিব্যক্তি দেখে চোখ মারলো রাসেল অবাক হলো না কারণ ২০ বছর আগেও সে এমন করতো সে মনে মনে বল্ল পৃথিবী পালটে যাক তবু তুমি এমনি থেকে। এরপর রাসেল সবাইকে ভেতরে যাওয়ার তাগিদ দেয় অতপর তারা ভেতরে চলে যায়