অভিশপ্ত প্রাশাদ পর্ব -২
এরপর হেমা, রাসেল, হিমেল ও রুবেল সবাই ভেতরে চলে গেলো। হিমেল রুবেল দৌড়ে তাদের রুমে চলে গেলো তারা এখনো এক সাথে এক রুমেই থসকে ঘরে গিয়েই হিমেল প্রশ্ন করলো জ্বর এখন কেমন
রুবেল উত্তর দিলো এখন ভালো আছি
হিমেল বল্ল হাসপাতালের দিন গুলো কেমন কাটলো
রুবেল বল্ল আর বলিস না শুধু চিল্লা পাল্লা চারিদিকে রাত তিনটা চারটা পর্যন্ত রুগি আসতেই থাকে কেউ আবার রিলিস পেয়ে বাড়ি চলে যাচ্ছে কেউ আবার মরা যাচ্ছে
হিমেল বল্ল ওহ আচ্ছে রুবেল বল্ল আরে কি ওহ আচ্ছে আরো আছে তো শোন
হিমেল মুচকি হেসে বল্ল বল
জানিস হাসপাতালে এক বুড়ি ছিলো যে অসুস্থ হওয়ার নাটক করে হাসপাতালে পারে ছিলো কেন শুধু ফ্রীতে খাবার খাওয়ার জন্য নরমাল সময় সে ভালোই থাকে ডক্তার আসলেই সে ভাব ধরে যে খুব অসুস্থ এ মহিলার আরো কন্ড আছে যা বলার বাইরে
সব শুনে হিমেল হাসতে হাসতে পাগল প্রায়
অন্যদিকে হেমাকে এত দিন পর পেয়ে রাসেল তাকে ছাড়তেই চাচ্ছে না হেমা বারবার বলছে ছাড়ো আমার কাজ আছে
কিন্তু রাসেল বারবার নেকা সরে বলছে স্বামীকে সেবা করার মতো বড় কাজ কি আর হতে পারে
হেমা বলে তাহলে কি আমি এখন তোমার পা টিপে দিবে
রাসেল দাত বের করে হেসে বল্ল না না অন্য কিছু
হেমা রাগী সরে তার হাত থেকে হাত সরিয়ে বল্ল বুড়ো হয়েছে তাও যৌবন কাটেনি বুইড়া বেডা
এরপর সে চলে গেলো রাসেল মুচকি মুচকি হাসছে হেমা চলে গেলো রান্না ঘরে রান্না করতে
এদিকে হঠাৎ হিমেল আর রুবেলের কথায় লাশ কাটা ঘরের প্রশঙ্গ উঠে আসলো
রুবেল তাকে জানায় সে দেখেছে লাশ কাটতে রুবেের শুয়ে থাকতে ভালো লাগে না তাই সে রাতে হাটাহাটি করে তাই সে হাসপালেও তাই করতো একদিন তার চোখে পরে লাশ কাটা ঘর সসে কৌতুহল বসত সেখানে যায় আর দেখে একজন ব্যক্তিরকে পেট থেকে কাটা হচ্ছে