যার বুকে লাগে সে বধ হয়। আর যে নিজেকে রক্ষা করতে পারে সে বেঁচে যায়। রতন এতোকিছু জানেনা। এই মেয়ে টির ব্যাবহারে মনে মনে মুগ্ধ হয়ে যায়। মুখে প্রকাশ না করলেও সালাম মিয়াকে জিজ্ঞেস করে
,, সালাম ভাই মেয়েটির বাড়ি কোথায়? তুমি কি চেনো ওকে? ,,
সালাম বোকাসোকা রতনের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে উত্তরে বললো
,, হ্যাঁ আমি চিনি। আমি তোকে ওদের বাড়িতে নিয়ে যাবো। যাবি তো?,,
রতন মনে মনে প্রমাদ গোনে। ভালই হবে। মেয়েটির সাথে দেখা করা যাবে। আর ওর যে হৃদয় হরণ করা চাহণি মুক্তঝরা হাসি দেখা যাবে। এই পচিশ বছর বয়েসে রতন এমন চাহণি আর হাসি কোন দিনও দেখেনি। মনে হলো ওই দৃশ্যের মূল্য কোন টাকার কেনা যায় না। মনের বিনিময়ে কিনলে হয়তো কেনা যেতে পারে। মনের নীরবতা ভাঙিয়ে সালাম জিজ্ঞেস করে
,, কিরে যাবি? কথা বলছিস না কেন? শোন সারা জীবন টাকা কামাই করে যাবি। কিন্তু মানুষের মনের দাম দিতে শিখবি না। মেয়ে টা তোকে এতো সন্মান দেখালো অথচ তুই বেইমানের মতো চেঁপে যাচ্ছিস।এটা ভারি অন্যায়।,,
রতনের মনের আগ্রহ লজ্জার চাদরে ঢাকা পড়েছিলো।সালামের কথায় চাদরটি মুহূর্তে সরে গেলো। খুশিতে হেসে সালামের কাছে জিজ্ঞেস করে
,, সালাম ভাই, ওর সাথে দেখা করবো। তুমি আমাকে ওর কাছে নিয়ে যাবে? মনে হয় মেয়ে টি খুব ভালো। তাই না?