বলে তোকে যে মেয়েটা পছন্দ করে তার খোঁজ না করে তুই ওই মেয়ে প্রতি দরদ দেখাচ্ছিস কেন?
রতন নতুন এসেছে এখানে। এখানকার নিয়ম জানেনা। সালাম প্রায়শই আসে। তাই রতনকে বোঝানোর চেষ্টা করে। রতনও বিনয়ী আচরণে সালামের কাছে বলে
,, আমি কি কোন দিন এখানে এসেছি। তোমার সাথে এসেছি যাতে আমার কোন ঝামেলায় পড়তে না হয়। তাহলে চলো ওই মেয়েটির খোঁজ করি।,,
মেঘ না চাইতেই জলের দেখা,র মতো রতনের দোকান থেকে তরকারি কেনা সেই মেয়ে আসছিলো এ দিকে। সালাম ওকে দেখে মুখে হাসি ফুটিয়ে বললো
,, রতন দেখতো ওকে চিনতে পারিস কিনা?,,
রতন চমকে ওঠে ওর দিকে তাকিয়ে। অপলকে তাকিয়ে দেখে। হ্যাঁ। সত্যি তো সেই মেয়েটি? সে রতন সালামের দিকে তাকিয়ে আছে। মনে হলো মেয়েটি আগেই জানতো এরা আসবে। রতন সালামের কাছে এসে বললো
,, আসেন।,,
বলেই সে পল্লীর গলি দিয়ে ভেতরের দিকে এগিয়ে যায়। সালাম রতনকে ঈশারায় বোঝায় ওর সাথে যেতে। দুই মেয়েটির পেছন পেছন হাটে। সোজা গলি পেড়িয়ে ডান দিকে ঢুকে তিন বাড়ির পরের বাড়িতে সে থাকে। মেয়ে টি রতন সালামকে সমাদরে নিয়ে যায় তার রুমে। সালাম রতন রুমের খাটে বসলো। রতন সম্বিত হয়ে অপলকে মেয়েটিকে দেখেছিলো। সালাম হেসে তাকে বললো
,, নিয়ে এলাম ওকে তোমার কাছে। তোমরা কি ঝামেলা ঘটিয়েছো। এবার রতন বল কি ঘটনা।,,
রতন মেয়েটির চোখে চোখ রেখে দেখে সেই চোখ। যেন কতো কালের চেনা দুটি আঁখি।