রাত প্রায় বারোটা। গ্রামের শেষ মাথার পুরনো বাড়িটা নিয়ে সবাই ভয় পেত।
বাড়িটার দ্বিতীয় তলায় রাতে আলোজলে অথচ সেখানে কেউ থাকে না।একদিন রাহাত ও তার বন্ধু নিলয় ঠিক করল যে তারা ওই বাড়িটাতে যাবে।
বাড়ির ভিতরে ঢুকতেই ঠান্ডা হাওয়া বইতে লাগলো। দেওয়ালের রং উঠে গেছে, চারিদিকে পোকা আর মাকড়সার জাল। হঠাৎ করে উপরে তলা থেকে ঠক ঠক আওয়াজ আসতে লাগলো।
নিলায় বলল চল বাড়ি ফিরে যাই। কিন্তু রাহাত বলল না আরেকটু এগোই। তারা দ্বিতীয় তলায় উঠে দেখল যে শেষের ঘরে দরজা একটু খোলা।
দরজা খুলতেই তারা দেখতে পেল একটা চেয়ার।নিজে নিজে দুলছে। হঠাৎ তাদের পিছন থেকে দরজা বন্ধ হয়ে গেল।
নিলয় চিৎকার করে দিল।
ঠিক তখন অন্ধকারের মাঝেই আওয়াজ শোনা গেল।
রাহাত কাঁপতে কাঁপতে মোবাইলের আলো আলো জ্বালানো। দেখতে পেল ঘরে এক বৃদ্ধ দাড়িয়ে আছে। তার চোখ দুটো অস্বাভাবিক সাদা।
হঠাৎ নিচ তলা থেকে পুলিশের সাইরেনের শব্দ শোনা গেল।
জেল থেকে এক অপরাধী পালিয়েছে জানা গেল, সে অপরাধী দুইদিন থেকে সে এখানে আছে আর সবাইকে ভয় দেখাচ্ছে। কিন্তু পুলিশ যখন তাকে ধরতে আসলো দেখলে ঘরে কেউ নেই। চেয়ারটা শুধু শুধু একাই একাই দুল ছিল।