সালাম মৌসুমি কে বলে
,, চা- টা কিন্তু খুব ভালো হয়েছে। কেক ভালো না।,,
মৌসুমি সালামকে উদ্দেশ্য করে বললো
,, ঠিক আছে। আমি বিরিয়ানী মাংস খাওয়াচ্ছি। ততোক্ষণে জিড়িয়ে নাও। রতন খাচ্ছো না কেন? তাহলে তুমি কি খাবে আমাকে বলো এখনি নিয়ে আসছি।,,
রতন অনুনয়ের ভঙ্গিতে বললো
,, আমার খেতে ইচ্ছে করছে না।
মুখ থেকে কথা কেড়ে নিয়ে মৌসুমি বললো
,, বুঝেছি। আমি খারাপ মানুষ তাই তোমার রুচি আসছে না।,,
বলেই মৌসুমি খপ করে রতনের হাত ধরে। নিজের হাতে একটুকরো কেক ভেঙে রতনের মুখে পুরে দিলো। অগত্যা রতন হাঁ করে কেক মুখে নিলো। সালাম হাততালি দেয়। বলে
,, এই তো। ঠিক হয়েছে। খাবিনা কতোতে মেয়ে মানুষের নরম হাতের খাবার যে কতো স্বাদ। তা কি রতন জানিস। মৌসুমি আরেক টুকরো কেক দিতে চেষ্টা করে। রতন মৌসুমির হাত ধরে ফেলে। মৌসুমির হাত ধরতেই যেন রতনের শরীরে এক ধরনের উত্তেজনা শুরু হয়।অবাক হয় রতন। একি এমন তো ককোনো হয় না। রতনের ধরা মৌসুমির হাত ধরে তার মুখের দিকে উঠি্যে বলে
,, এ টুকু তুমি খাও।,,
মৌসুমি নির্ভার চিত্তে হাঁ করে কেক মুখে নিলো।
রতন চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বললো
,, চা ঠান্ডা হয়ে গেছে।,,
মৌসুমি বললো
,,আরেক কাপ এনে দিবো?,,
সালাম বাঁধা দিয়ে বললো
,, আরে না না।যে চা খায় না তার জন্য এতো আদর কিসের? আমাদের উঠতে হবে মৌসু