সোহান খুব রোগা ছিল। এ কারণে বন্ধুদের অনেক কথাও শুনতে হতো তাকে।
কেউ বলত,
“তুই এত শুকনা কেন?”
আবার কেউ হাসতে হাসতে বলত,
“ভাত খাস না নাকি?”
এসব কথা শুনে সোহান ধীরে ধীরে মন খারাপ করে ফেলত।
একদিন সে সিদ্ধান্ত নিল যেভাবেই হোক দ্রুত মোটা হতে হবে।
ইন্টারনেটে বিভিন্ন ভিডিও দেখে সে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া শুরু করল। তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, কোমল পানীয় আর রাত জেগে খাওয়া—এসব তার দৈনন্দিন অভ্যাস হয়ে গেল।
কয়েক সপ্তাহ পরে তার শরীর খারাপ হতে শুরু করে।
সবসময় ক্লান্ত লাগত।
পেটে গ্যাস ও বদহজম হতো।
ঘুমও ঠিকমতো হতো না।
তার মা বললেন,
“শরীর ভালো রাখতে হলে শুধু বেশি খেলেই হবে না, সঠিক খাবারও খেতে হবে।”
এরপর সোহান একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেয়।
ডাক্তার তাকে বলেন,
“সুস্থভাবে ওজন বাড়াতে হলে নিয়মিত খাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম, ব্যায়াম ও পুষ্টিকর খাবার দরকার।”
সোহান ধীরে ধীরে নিজের জীবনযাপন বদলাতে শুরু করে।
সে প্রতিদিন সময়মতো ভাত, ডিম, মাছ, দুধ, কলা ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার খেতে থাকে।
ফাস্টফুড কমিয়ে দেয়।
রাত জাগা বন্ধ করে।
হালকা ব্যায়াম শুরু করে।
কয়েক মাস পরে তার শরীরে পরিবর্তন দেখা যায়।
সে আগের চেয়ে সুস্থ, শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে।
সোহান বুঝতে পারে—
মোটা হওয়াই আসল বিষয় নয়,
সুস্থ ও শক্তিশালী থাকাই মানুষের প্রকৃত সৌন্দর্য।