খ্রিস্টপূর্ব ৩৯৯ অব্দে এথেন্সের আদালত এক ঐতিহাসিক ও ট্রাজিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল—তা হলো মহান দার্শনিক সক্রেটিসের বিচার। তরুণদের বিভ্রান্ত করা এবং রাষ্ট্রীয় দেবতাদের অবমাননার কাল্পনিক অভিযোগে তাঁকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়। প্লেটোর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দ্য অ্যাপোলজি’ (The Apology)-তে সক্রেটিসের সেই আত্মপক্ষ সমর্থনের অসাধারণ বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে, যা কেবল কোনো সাধারণ আইনি লড়াই ছিল না, বরং ছিল সত্য ও দর্শনের এক চূড়ান্ত মহাকাব্য।
আদালতের মুখোমুখি হয়ে সক্রেটিস কোনো প্রচলিত অনুশোচনা বা করুণা ভিক্ষা করেননি। গ্রিক শব্দ ‘অ্যাপোলজি’র অর্থ এখানে ক্ষমা প্রার্থনা নয়, বরং তাঁর জীবনদর্শনের এক যৌক্তিক ও সাহসী ব্যাখ্যা। তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন, ডেলফির দেববাণী অনুসারে তিনিই এথেন্সের সবচেয়ে জ্ঞানী মানুষ, কারণ তিনি অন্তত এটি জানেন যে—"তিনি কিছুই জানেন না।" নিজেকে তিনি এথেন্স নামক এক অলস ঘোড়ার পিঠে বসা এক 'ডাঁশ মাছি' (Gadfly) হিসেবে তুলনা করেন, যার কাজ ছিল সমাজকে অন্ধ বিশ্বাস ছেড়ে প্রশ্ন করতে শেখানো। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, "পরীক্ষাবিহীন জীবন বেঁচে থাকার যোগ্য নয়।"
অন্যায়ভাবে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পরেও সক্রেটিস এথেন্স থেকে পালিয়ে যাননি। তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে এবং নিজের আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে হেমলক বিষ পানে মৃত্যুকে বেছে নেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ প্রমাণ করে যে, শরীরের মৃত্যুর চেয়ে নৈতিকতার মৃত্যু অনেক বেশি ভয়ানক।
সক্রেটিসের বিচার ও মৃত্যুর পেছনের সেই রোমাঞ্চকর আইনি বিতর্ক, ডেলফির রহস্যময় দেববাণী এবং এথেন্সের তৎকালীন রাজনৈতিক কূটচাল সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানতে চান? সত্যের জন্য একজন দার্শনিকের জীবন দেওয়ার এই অবিস্মরণীয় ইতিহাস মিস করতে না চাইলে এখনই নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন।
👉 সক্রেটিসের বিচার ও মৃত্যুর পেছনের দর্শন (The Apology) বিস্তারিত জানুন এখানে