"মহাপুরুষ" কবিতাটি মূলত একজন আদর্শবান, পরোপকারী এবং সত্যনিষ্ঠ মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। কবিতার কথক (যিনি মূলত কবি নিজে) তাঁর নাতি বা নতুন প্রজন্মকে (যাকে তিনি ভালোবেসে ‘দাদু’ বলে সম্বোধন করেছেন) তাঁর নিজের বাবার অসামান্য জীবন ও কর্মের কথা শোনাচ্ছেন।
নিচে কবিতাটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলো:
১. মূলভাব বা সারসংক্ষেপ
কবিতাটির মূল বিষয়বস্তু হলো পিতৃভক্তি এবং একজন আদর্শ মানুষের গুণগান। এখানে কবি তাঁর প্রয়াত বাবাকে একজন "মহাপুরুষ" বা মহামানব হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর বাবা ছিলেন এমন একজন মানুষ, যিনি নিজের সুখের কথা না ভেবে সারাজীবন মানুষের সেবা করেছেন, সত্য ও ন্যায়ের পথে চলেছেন এবং সমাজে জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন।
"মহাপুরুষ" কবিতাটি কেবল একজন ব্যক্তির জীবনী নয়, বরং এটি একটি আদর্শ সমাজের প্রতিচ্ছবি। একজন মানুষ কীভাবে তাঁর সততা, পরোপকার ও ভালোবাসার মাধ্যমে সমাজে অমরত্ব লাভ করতে পারেন, কবি অত্যন্ত আবেগপূর্ণ ও সহজ-সরল ভাষায় তা ফুটিয়ে তুলেছেন।