আকাশের নীল রঙকে ছাপিয়ে গেছে বিশাল এক ডানাওয়ালা সাদা সিংহের ছায়া। সিংহটি যখন রাজকীয় ভঙ্গিতে **'খিলাফত-এ-আযম'** এর প্রধান ফটকের ওপর দিয়ে উড়ে গেল, তখন নিচে দাঁড়িয়ে থাকা ১৫ বছরের কিশোর “আলী” বিস্ময়ে হাঁ করে তাকিয়ে রইল।
শহরটি কোনো সাধারণ শহর নয়। বিশাল বিশাল অট্টালিকাগুলো সাদা মার্বেল পাথরের তৈরি, যার গায়ে আরবীয় ক্যালিগ্রাফিতে খোদাই করা হয়েছে সুরক্ষামূলক মন্ত্র।
রাস্তা দিয়ে ঘোড়ার বদলে মানুষ যাতায়াত করছে জাদুকরী কার্পেটে অথবা পোষা মিথিক্যাল বিস্টের পিঠে চড়ে। বাতাসের প্রতিটি কণা যেন এক অদ্ভুত পবিত্র স্পন্দনে কাঁপছে।
আলী তার পিঠের পুরনো তালিমারা ব্যাগটা আরও শক্ত করে আঁকড়ে ধরল। তার চোখের দৃষ্টিতে আগুনের লেলিহান শিখা।
সে রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে দুই হাত মুষ্টিবদ্ধ করে চিৎকার করে উঠল
"আমি আলী!
একদিন এই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ নূরযোদ্ধা হবো আমি, আমি “সেক্রেড আর্মিতে” যোগ দেবই দেব!"
আশেপাশের পথচারীরা একবার তার ময়লা পোশাকের দিকে তাকিয়ে তাচ্ছিল্যের হাসি হাসল। কেউ কেউ বিড়বিড় করল,
"আরেকটা পাগল এসেছে স্বপ্ন দেখতে।"
কিন্তু আলীর কানে তখন কেবল তার হৃদপিণ্ডের ধকধকানি। সে এতিমখানা থেকে পালিয়েছে কেবল এই দিনটির জন্য।
(৩ বছর পর)
সময় বড় নিষ্ঠুর। তিন বছর আগের সেই তেজস্বী কিশোর আলীর চেহারায় এখন ক্লান্তির ছাপ, কিন্তু জেদটা এখনো মরেনি।
রাজধানীর কেন্দ্রীয় 'শাহী মিউজিয়াম' এর মেঝেতে সে মপ ঘষছে। এটিই এখন তার জগত। দিনের বেলা ক্লিনার হিসেবে কাজ করা আর রাতে লুকিয়ে লুকিয়ে শরীর চর্চা করা।
আজ ছিল “সেক্রেট আর্মিতে” এ যোগ দেওয়ার চূড়ান্ত এবং শেষ পরীক্ষার দিন। আঠারো বছর পূর্ণ হওয়ার পর আর কেউ পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পায় না।
পরীক্ষা কেন্দ্রের সেই বড় হলের ভেতর আলী যখন 'নূর-মিটার' পাথরের সামনে দাঁড়িয়েছিল, চারপাশ একদম নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল।
পরীক্ষক গর্জে উঠলেন,
"হাত রাখো পাথরে!"
আলী কাঁপাকাঁপা হাতে পাথরে স্পর্শ করল। পাঁচ মিনিট পার হয়ে গেল। পাথরটি বিন্দুমাত্র উজ্জ্বল হলো না।
পরীক্ষক স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে বড় করে শ্বাস ফেললেন।
"আলী।
মানা: ০০।
অরা : ০০।
টেলেন্ট: অনির্ণীত।
তুমি অযোগ্য।
এখান থেকে যাও।"
আলী বললো
"এটা কি করে হতে পারে? ৩ বছর আগে একজন ম্যাজেশিয়ান আমাকে বলেছিলো আমার মধ্যে নূর আছে।
আমি এই ৩ বছরে ৩ বার পরিক্ষা দিয়েছি।
প্রতি রাত জেগে আমার শরীর কে ট্রেইন করেছি।
তারপরও আমার রেজাল্ট ০০ আসবে কেনো?
পরিক্ষক বললো
" দেখো বাবা সবাই চাইলেও নূর যোদ্ধা হতে পারেনা।
প্রতি ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র ১ জন নূরের শক্তি নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।
এই মিটারে যেহেতু তোমার রেজাল্ট ০০এসেছে তাহলে তোমার মধ্যে নূরের শক্তি নেই।"
আলী বললো
" না স্যার আমি ১ লক্ষ্যের মধ্যে একজন। ৩ বছর আগে একজন ম্যাজেশিয়ান আমাকে বলেছিলো যে আমার মধ্যে নূর আছে।
গার্ড কর্কশ ভাবে বললো
"সেই ম্যাজিশিয়ান ভূল বলেছে। তোমার মধ্যে কোন নূর নেই।
এই সত্য যত তারাতাড়ি মেনে নিবে ততোই তোমার জন্য ভালো।
তুমি “নূরহীন”।
হলের বাইরে তখন বৃষ্টির ঝিরিঝিরি শব্দ।
আলী পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে রইল। তার তিন বছরের পরিশ্রম, নির্ঘুম রাত, আর এতিমখানা থেকে পালানোর সেই ঝুঁকি সব যেন এক নিমেষে ধুলোয় মিশে গেল।
মিউজিয়ামের পেছনের সিঁড়িতে আলী একা বসে ছিল। তার দুচোখ বেয়ে জল ঝরছে না, কারণ তার চোখের জল শুকিয়ে পাথর হয়ে গেছে।
ঠিক তখনই এক জোড়া ভারী বুটের শব্দ শোনা গেল।
সার্জেন্ট হাসান। লম্বা চওড়া গড়ন, মুখে হালকা দাড়ি এবং চোখে সবসময় এক অদ্ভুত প্রশান্তি।
মধ্যবয়সী হলেও চুল এবং দাড়ি কাশফুলের মতো সাদা।
তিনি এই মিউজিয়ামের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা 'সেক্রেড আর্মির' এর একজন অভিজ্ঞ সার্জেন্ট।
তিনি আলীর পাশে এসে বসলেন। তার ইউনিফর্ম থেকে আসা হালকা চন্দনের ঘ্রাণ আলীর নাকে লাগল।
"আবার ফেইল করলে তাহলে?" হাসান খুব মৃদু স্বরে জিজ্ঞেস করলেন।
আলী মাথা নিচু করে বলল,
"স্যার, আমার ভেতরে কিছুই নেই। না মানা, না অরা। আল্লাহ কেন আমাকে এমন বানালেন? আমি কি কেবল মেঝে পরিষ্কার করার জন্যই জন্মেছি?"
হাসান পকেট থেকে একটা খেজুর বের করে আলীর দিকে বাড়িয়ে দিলেন। আলী সেটা নিতে গিয়ে দেখল তার হাত কাঁপছে।
হাসান আকাশের দিকে তাকিয়ে বললেন,
"আলী, তুমি কি জানো এই রাজ্যের প্রথম সেনাপতি সুলতান আদিল যখন প্রথম অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন,
তখন তাঁর সাথে মাত্র গোটা কয়েকজন মানুষ ছিল?
তাদের অনেকেরই কোনো নূর ছিল না।
তারা সাধারণ মানুষ ছিলেন।
কিন্তু তাদের ছিল 'ইরাদাহ' বা অটল সংকল্প।
নূর মানুষকে শক্তিশালী করে ঠিকই, কিন্তু নূর ছাড়াও যে যুদ্ধে জেতা যায়, সেটা পৃথিবীর ইতিহাস ভুলে গেছে।"
আলী ফুঁপিয়ে উঠে বলল,
"কিন্তু নিয়ম তো নিয়মই স্যার! আজ আমার শেষ সুযোগটাও শেষ হয়ে গেল। আমি কোনোদিন ওই ইউনিফর্মটা পরতে পারব না।"
হাসান আলীর কাঁধে হাত রাখলেন। তাঁর হাতের স্পর্শে এক অদ্ভুত উষ্ণতা ছিল।
"শোনো আলী, সেক্রেড আর্মি কেবল তাদেরই নেয় যাদের নূর আছে।
কিন্তু আল্লাহ্ তাঁর সৃষ্টির প্রতিটি মানুষকে কোনো না কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে দিয়ে পাঠিয়েছেন।
তোমার মানা শূন্য হতে পারে, কিন্তু তোমার ওই যে জেদ যেটা তোমাকে তিনবার পরাজয়ের পরেও এখানে ফিরিয়ে এনেছে ওটাই হয়তো তোমার সবচেয়ে বড় টেলেন্ট।"
হাসান উঠে দাঁড়ালেন, তাঁর কোমরে থাকা তলোয়ারের খাপটা একবার ঠিক করে নিলেন।
"মিউজিয়াম বন্ধ করার সময় হয়েছে।
কাল সকালে সময়মতো কাজে এসো।
মনে রেখো আলী, একটা দরজা বন্ধ হওয়া মানেই পথ শেষ হওয়া নয়, হয়তো অন্য কোনো দরজা খোলার অপেক্ষা মাত্র।"
হাসান চলে গেলেন।
কিন্তু আলীর কানে তখনো বাজছিল
*'নূর ছাড়াও যুদ্ধে জেতা যায়'*।
সে রাতের অন্ধকারে মিউজিয়ামের বিশাল গম্বুজের দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করল,
"আমি হাল ছাড়ছি না। যদি সেক্রেড আর্মি আমাকে না নেয়, আমি নিজেই নিজের রাস্তা তৈরি করব।"
রাজধানী যখন রূপালী চাঁদের আলোয় ঘুমে আচ্ছন্ন, শাহী মিউজিয়ামের সাদা মার্বেল পাথরের গম্বুজগুলো তখন এক রহস্যময় নিস্তব্ধতায় ঘেরা।
আলীর চোখে ঘুম নেই। সার্জেন্ট হাসানের কথাগুলো তার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।
সে মিউজিয়ামের প্রধান গ্যালারিতে মপ হাতে কাজ করছিল। গ্যালারির ঠিক মাঝখানে একটি বুলেটপ্রুফ এবং জাদুকরী সুরক্ষা কবচ দিয়ে ঘেরা বেদিতে রাখা আছে সেই কিংবদন্তি অস্ত্র
"জুলফিকার"।
হাজার বছর ধরে এটি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে আছে একটি সাধারণ কালো পাথরের ব্রেসলেটের মতো। আধুনিক বিশ্বের সেরা জাদুকর আর শক্তিশালী যোদ্ধারাও এটি ব্যবহারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।
সুলতান আদিলের পর এই কিংবদন্তি অস্ত্র আর কারো নূর গ্রহণ করেনি।
হঠাৎ, মিউজিয়ামের শক্তিশালী 'ডিটেকশন সার্কেল' লাল হয়ে জ্বলে উঠল।
এক বিকট শব্দে কাঁচ ভাঙার আওয়াজ আর পাহারাদারদের আর্তচিৎকার নীরবতা ভেঙে দিল।
"আক্রমণ!
সবাই পজিশন নাও!"
সার্জেন্ট হাসানের গম্ভীর কণ্ঠস্বর শোনা গেল।
মিউজিয়ামের ছাদ ধসিয়ে নিচে নামল কালো পোশাকধারী পাঁচজন জাদুকর ডাকাত।
তাদের নেতা, যার হাতে জ্বলন্ত আগুনের অরা, চিৎকার করে বলল,
"আজ এই খিলাফতের গর্ব ধুলোয় মিশিয়ে দেব। জুলফিকার আমাদের চাই!"
নিরাপত্তা প্রহরীরা তাদের নূর-চালিত বন্দুক আর তলোয়ার নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল। কিন্তু এই ডাকাত দলটি সাধারণ নয়।
তাদের অরা এবং মানা এতটাই শক্তিশালী যে সাধারণ সোলজাররা খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছে।
আলী একটি পিলারের আড়ালে লুকিয়ে দেখল, তার চিরচেনা সার্জেন্ট হাসান একাই তিনজন ডাকাতকে সামলাচ্ছেন।
হাসানের তলোয়ার থেকে নীল বিদ্যুৎ ঠিকরে বের হচ্ছে, কিন্তু তিনি ক্লান্ত। তার শরীরে গভীর ক্ষত।
নেতা ডাকাতটি একটি কালো জাদুর গোলক হাসানের দিকে ছুঁড়ে মারল। হাসান ছিটকে গিয়ে জুলফিকারের বেদির পাশে আছড়ে পড়লেন। তার তলোয়ারটি ভেঙে দুই টুকরো হয়ে গেছে।
"শেষ বিদায় নাও, সার্জেন্ট!"
ডাকাতটি তার হাত উঁচিয়ে একটি বিশাল আগুনের তলোয়ার তৈরি করল যা হাসানের বুক বরাবর নেমে আসছে।
আলী আর স্থির থাকতে পারল না। তার ভেতরে ভয় নেই, আছে কেবল এক প্রবল জেদ।
সে দৌড়ে এসে ডাকাত আর হাসানের মাঝখানে দাঁড়িয়ে পড়ল।
আর চিৎকার করে বললো:
“থামো বলছি! খবরদার সার্জেন্ট এর কোন ক্ষতি করবে না।
"সরো এখান থেকে, বাচ্চা!" ডাকাতটি হুঙ্কার দিল।
আলী কোনো উত্তর দিল না।
তার পাশে থাকা সেই সুরক্ষা কাঁচ যা বড় বড় কামানের গোলাতেও ভাঙে না, তা ডাকাতদের জাদুতে ভেংগে গেছে ।
আলীর মাথায় একটা বুদ্ধি খাটলো,
যদি সে এই ব্রেসলেট নিয়ে পালিয়ে যায় তাহলে ডাকাতদল তার পিছু নিবে। আর সার্জেন্ট হাসান বেচে যাবে।
আলী তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে সেই কালো ব্রেসলেটের মতো অস্ত্রটি ধরল।
"আলী! না! ওটা ধরো না! তোমার শরীর ধংশ হয়ে যাবে!" হাসান আর্তনাদ করে উঠলেন।
কিন্তু আলী যখন ব্রেসলেটে হাত দিল, কোনো দহন হলো না। বরং এক হাজার বছরের তৃষ্ণার্ত এক সিংহ যেন তার গলার ভেতর গর্জন করে উঠল।
আলীর সেই '০০' মানা আর '০০' অরা হঠাৎ করে মহাকাশের মতো বিশাল এক শূন্যতায় রূপ নিল।
সেই শূন্যতা জুলফিকারকে আমন্ত্রণ জানাল।
ব্রেসলেটটি আলীর কবজিতে আটকে গেল এবং সেকেন্ডের মধ্যে সেটি এক বিশাল রূপালী তলোয়ারে রূপান্তরিত হলো যার ডগাটি দ্বিখণ্ডিত।
জুলফিকার থেকে নির্গত সোনালী নূর পুরো মিউজিয়ামকে দিনের আলোর মতো উজ্জ্বল করে দিল।
আলীর চোখের মণি এখন আর কালো নয়, তা বিশুদ্ধ সোনালী নূরে জ্বলছে।
"এ... এ কীভাবে সম্ভব?" ডাকাত নেতার চোখে প্রথমবার মৃত্যুর ভয় দেখা দিল।
আলী কেবল একটি শব্দ উচ্চারণ করল, "ইনসাফ।"
সে জুলফিকার দিয়ে বাতাসে একটি স্লেশ করল।
কোনো মন্ত্র নেই, কোনো শারীরিক কসরত নেই কেবল এক বিশুদ্ধ শক্তির ঢেউ।
সেই এক আঘাতেই পাঁচজন ডাকাত তাদের জাদুকরী বর্মসহ মিউজিয়ামের দেয়াল ভেঙে কয়েকশ গজ দূরে ছিটকে পড়ল।
তারা নড়াচড়ার শক্তিও হারিয়ে ফেলল।
মুহূর্তের মধ্যে মিউজিয়ামের চারপাশ
**Sacred Army**-র হেলিকপ্টার এবং ড্রাগন-রাইডার দিয়ে ঘিরে ফেলা হলো।
আকাশ থেকে ডানাওয়ালা ঘোড়ায় চড়ে নিচে নামলেন একজন দীর্ঘকায় ব্যক্তি।
তার কাঁধের গোল্ডেন ব্যাজ জানান দিচ্ছে তিনি এই সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ সেনাপতি
**জেনারেল জুনাইদ আল-ফাতাহ**।
তিনি বিধ্বস্ত গ্যালারিতে প্রবেশ করে দেখলেন, ধুলোবালির মধ্যে একটি কিশোর দাঁড়িয়ে আছে, যার হাতে জুলফিকার এখন একটি ছোট ব্রেসলেট হয়ে শান্তভাবে চড়ে আছে।
আলী তখন ক্লান্তিতে জ্ঞান হারানোর পথে।
সার্জেন্ট হাসান কোনোমতে উঠে দাঁড়িয়ে স্যালুট দিলেন,
"জেনারেল!
ও... ও জুলফিকার এক্টিভেট করেছে।"
জেনারেল জুনাইদ ধীরপায়ে আলীর সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। তিনি আলীর কপালে হাত রাখলেন। তার তীক্ষ্ণ চোখ জোড়া বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল।
"এর ভেতর কোনো মানা নেই, কোনো অরা নেই... কেবল এক অসীম শূন্যতা।
যে শূন্যতা পুরো পৃথিবীকে গিলে নিতে পারে।"
আলী জ্ঞান হারানোর আগে জেনারেলের আবছা অবয়ব দেখতে পেল।
জেনারেল নিচু স্বরে বললেন,
"ছেলেটির পরীক্ষা শেষ হয়নি হাসান। বরং আসল পরীক্ষা কেবল শুরু।
কাল সকালেই একে
**Sacred Army Academy**-তে ভর্তি করার ব্যবস্থা করো।
খিলাফত তার নতুন রক্ষককে খুঁজে পেয়েছে।"
আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়ার ঠিক আগে তার মুখে এক চিলতে তৃপ্তির হাসি দেখা দিল। তার এতিমখানা থেকে পালানো সার্থক হয়েছে।
**[১ম পর্ব সমাপ্ত]**