উপন্যাস

বিরহ (পর্ব ০২) রুদ্র সিয়াম

September 5, 2026

Rudro Siyam

Original Author রুদ্র সিয়াম

5
View

মাহির প্যন্ট খুলে ফেলল আবির। তারপর দেয়ালের সাথে ধাক্কা দিয়ে চেপে ধরলো স্তন একহাত দিয়ে। মাহি একটু ভয় পেল তবে উত্তেজিত হয়েছে সে নিজেও তা অস্বীকার করলো না।

আবির স্তনে ঠোঁট রাখতেই মাহির সারা শরীর সুখের  শিহরন দিয়ে উঠলো। আবির প্যন্ট খুলে ফেলল। 
ভয়ে মাহি বলল, না প্লিজ আমি করব না।
আবির কোন কথা শুনলো না। জোর করে চেষ্টা করছে যেন সে পশু হয়ে গেছে। মাথা কাজ করছে না তার।

কাঁদো কাদো গলায় মাহি আবার রিকোয়েস্ট করল, আমি করব না। আমার ভয় করছে।

আবির বলল, ভালোবাসা মানে শরীর। তুমি সব দিয়েছো। তাহলে এটা করলে কি সমস্যা?

মাহি বলল, না আবির না।

আবির কথা বলার সুযোগ দিল না ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরলো। তখনই হোস্টেলের দরজায় কে যেন টোকা দিল।  ভয় পেয়ে আবির ও মাহি তাড়াতাড়ি জামা পড়ছে। এখনও দরজার টোকা পড়ছে। কে যেন বাইরে থেকে বরছে, গেট খোলো। কি করছো তোমরা?

তখনই ঘামতে ঘামতে ঘুম ভাঙলো মাহির। ওপরে তাকিয়ে দেখলো কারেন্ট চলে গেছে সাদা ফ্যনটা আর ঘুরছে না। দরজার টোকা পড়ছে তার স্বামী আরুন বাসায় ফিরেছে হয়তো। ঘড়িতে তাকিয়ে দেখলো দুপুর ৫টা বাজে। কতক্ষণ ঘুমিয়েছে জানে না সে। তবে পুরানো কলেজের স্মৃতি স্বপ্নে মনে পড়লো আজ। তবে কেন? সেই কলেজের ১ম ভালোবাসা আবিরকে কেন স্বপ্ন দেখলো সে? তার উত্তর জানে না।

দরজা খুলতেই আরুন বিরক্ত হয়ে চেয়ে আছে। তার শার্ট ভেজা। বাইরে বৃষ্টি পড়ছে ফোঁটা ফোটা। এই এলাকায় বৃষ্টি পড়লে কারেন্ট চলে যায়।

আরুন বিরক্ত হয়ে বলল, এতোক্ষন লাগে গেট খুলতে তোমার?

ঘুম ঘুম চোখে মাহি বলল, ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। তাই দেরী হয়ে গেল। সরি।

আরুন কিছুটা রাগ শান্ত করে বলল, আমার বন্ধুর আসার কথা ছিল। তবে বৃষ্টির কারনে সে আজ আসবে না।।আগামী শুক্রবার ছুটির দিনে আসবে বলেছে।

মাহি দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে। যেন ভালোই হয়েছে।।আজ তার স্বামীর বন্ধু আসবে না।

ঘরে ঢুকে ভেজা শার্ট পাল্টে ফেলে আরুন। টাওয়াল দিয়ে মাথা মুছতে মুছতে শান্ত স্বরে বলে, এক কাপ চা বানিয়ে দাও তো।

খুশি মনে রান্না ঘরে ঢোকে মাহি। চা বানাতে থাকে। তখনই তার আবার অতীত মনে পড়ে। সেই কলেজের দিনটা আবিরের কথা মনে পড়ে। চুলায় গরম পানি বসিয়ে মাহি কল্পনায় ডুব দেয়।

আবির ফোনে বলেছিল, সেদিন তো কিছুই করতে পারিনি আমরা। হোস্টেলের মালিক ডিস্টার্ব করেছিল তাই। আজ বের হও। আমি তোমাকে সুখ দিব।

মাহি বের হতে যাবে তখনই আবিরের বন্ধু রজ্জব তাকে মেসেজ করে সব জানায় দেয়। যা জেনে ভয় পায় মাহি। আর আবিরের সাথে সম্পর্ক শেষ করে ফেলে। সেই মেসেজে স্ক্রীনশট ছিল যেখানে আবির রজ্জবকে বলছে, দোস্ত। আজকে মাহি কে আমি ভালোবাসা দেওয়ার পর। তুই ওকে ভালোবাসা দিবি। দুই বন্ধু মিলে করব ওকে।

ভয়ে মাহি আর আবিরের কাছে যায় না। তার শরীর ও মন সে একজনকে দিতে চেয়েছিল। যাকে ভালোবাসে। তবে আবির তার বন্ধুর সাথে সেয়ার করতে চেয়েছিল।

(বর্তমান) হঠাৎ আচমকা গরম পানির পাত্রে হাত লেগে ব্যথা পেয়ে হুস আসে মাহির। ঘর থেকে তার স্বামী আরুন দৌড়ে এসে বলে, কি হয়েছে?

মাহি বলে, চা বানাতে গিয়ে গরম পাতিলে হাত লেগেছে। তেমন কিছু না।

মাহি ভাবে আরুন  হয়তো কেয়ার করবে বলবে৷ দেখিতো কি হয়েছে? বেশি ব্যথা পেয়েছো? এগুলো সম্পর্কের শুরুতে করতো। তবে বিয়ের ১বছর হয়ে যাওয়ার পর আরুন কেমন যেন অচেনা হয়ে যাচ্ছে।

#বিরহ
#পর্ব_০২
#রুদ্র_সিয়াম

Comments

    Please login to post comment. Login