আমি পরিসংখ্যান দিয়ে আপনাকে ভারাক্রান্ত করতে চাই না। কিন্তু নিশ্চয়ই দেখেছেন বহু সংখ্যক শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশ ছাড়ছে উচ্চশিক্ষার জন্য। আমি এর কারণ বিশ্লেষণ এর যোগ্য নই, তাই এটা আমি শিক্ষাবিদদের কাছেই ছেড়ে দিলাম।কিন্তু এটা নিশ্চয়ই অন্ধও জানে যে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা খুব একটা অনুসরণীয় নয়।
তাই বারবার বিভিন্ন সরকার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করেছে। সবইগুলোই আগের ব্যবস্থার চেয়ে একটু আপটেড হয়েছে, তবে আদর্শ বা comprehensive কোন ব্যবস্থা আমরা পাই নি। এ কারণেই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো র্যাংক করে না।নোবেল প্রাইজে আমরা এতিম,বিভিন্ন শিক্ষাক্ষেত্রীয় অর্জনে আমরা অনেক পিছনে।
এদেশে, জেনেরালি স্পিকিং, একজন মনোবিজ্ঞানের ছাত্র বিসিএস ক্যাডার হতে চায়, যেমন হতে চায় পদার্থবিজ্ঞান বা ফিন্যান্স এর ছাত্র- যেটা বর্তমান আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে অবশ্যঘটনীয় । তবে এতসব অবব্যস্থাপনার মধ্যেও স্বশিক্ষায় বিশ্বাসী কৃতী সব মানুষ বের হয়ে এসেছে। তাদের নামগুলোও কারো অজানা না।
একটি দেশের মেরুদণ্ড বলা হয় শিক্ষাকে। তাই সর্বাগ্রে শিক্ষা ব্যবস্থাকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে যেভাবে সম্ভব মূল্যবোধ,ব্যবহারিক জ্ঞান ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা সবার জন্য নিশ্চিত করা উচিত। তাহলে আর বাংলাদেশকে কেউ আটকে রাখতে পারবে না। আমরা রাতের অন্ধকারে বসে অপেক্ষা করছি।দিনের আলো কাছে আসছে ধীরে ধীরে। রাত পোহাবার আর কত দেরি পাঞ্জেরি?