অতপর নীলিমা ফুলটা ছিড়লো তবে ফুলটা ছিড়ার সাথে সাথে আশে পাশের পরিবেশ যেন থম থমে হয়ে গেলো এতক্ষন যে স্নিগ্ধ বাতাস চারিদিকে বইছিলো তা এখন আর নেই চাঁদ মেঘে ঢেকে গেছে এতক্ষনে আশপাশটা খুবই অন্ধকার হঠাৎ নীলিমার এমন মনে হলো যে ফুলটার মধ্যে থেকে মৃদু আলো নির্গত হচ্ছে যা ধীরে ধীরে বাড়ছে অতঃপর আলো বাড়তে বাড়তে এতই বেড়ে গেল যে নীলিমা কিছুই দেখতে পেল না আলোর তেজে কিছুক্ষণ এমন হবার পর নীলিমা খেয়াল করল যে আলো ধীরে ধীরে কমে আসছে এবং আলোর মাঝখানে কিছু একটা দৃশ্যমান হচ্ছে আলো আরো একটু কমে আসতেই নীলিমা বুঝতে পারলো এটা একটি নারীর অবয়ব তবে তাকে দেখে মনে হচ্ছে ইনি কোন সাধারণ নারী নয়
কে তুমি?
তুমি আমাকে চিনো
হয় একটু চিনা চিনা লাগছে কিন্তু ঠিক চিনতে পারছি না
চিনবে চিনবে একটু সময় দাও
সব বাদ তুমি ফুল থেকে কিভাবে বের হলে সেটা বলো
আরেহ আমার কাছে এটা বেশ স্বাভাবিক ব্যাপার কারণ আমি মানুষ নই
তাহলে কি তুমি, ?
পরি
হয় আমার মনে হয়েছিলো মানুষ নও কিন্তু পরী এটা বুঝতে পারিনি পরিরা তো সুন্দর হয় তুমি এরকম ভয়ঙ্কর কেন
এই মেয়ে তুমি ভয় পাচ্ছো না? কত বড় সাহস আমাকে এগুলো বলে জানো আমি কে?
একটা পরি তাও সুন্দর না হাহাহা
দাত কেলিও না মেয়ে আমি ১০ বছর আগে তোমাকে অভিশাপ দিয়ে একদম ঠিক কাজ করেছিলাম
ওহহো তুমি সেই পরিটা তাই বলি চেনা চেনা লাগছে কেন আচ্ছা কি যেন অভিশাপ দিয়েছিলে তুমি?
তুষার কন্যা হওয়ার
এটা আবার কি
সেটা তুমি খুব তারা তারি বুঝতে পারবে
আমি জানি এই পথীতে মানুষ জ্বিন আর পরি ছাড়া অন্য কোন কিছুই নেই তাই এসব বাজে কথা না বকে যাও আমি এগুলো বিশ্বাস করি না
ঠিকাছে যেমন তোমার ইচ্ছা কিছুক্ষন পরি বুঝতে পারবে
এক কথা বলে পরিটি চলে গেল
নীলিমার খুব রাগ হচ্ছে তাই সে ফুলটাকে ছুড়ে মাটিতে ফেলে দিলো এবং সেখান থেকে চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়ালো তবে সে সেখান থেকে এক চুলো সরতে পারলো না কি যেন হচ্ছে তার। তার হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসছে তবে মাথায় গরম অনুভূত হচ্ছে হঠাৎ তার মাথার চুল গুলো দমকা হওয়ায় উড়তে শুরু করলো চোখ গুলো লাল বর্ণ ধারণ করলো সামনের দাতের মধ্যে দুই কোনায় অবস্থিত দাত গুলোর দুটি দাত ভয়ঙ্কর ভাবে বড় হতে লাগলো ভেম্পায়ার দের মতো
অতপর সে সত্যিই পরিনত হয়ে গেলো এক শক্তি শালি তুষার কন্যাতে
তার চোখে রাগ ও হিংসা সে বড় বড় পা ফেলে সামনের দিকে এগোলো তে লাগলো এতক্ষন যে প্রকৃতি রাজকন্যার আগমনে নতুন রূপে সেজে উঠেছিলো এখন সেই প্রকৃতি এক ভয়ঙ্কর রূপ নিয়ে বিচরণ করছে
নীলিমা অতি দ্রুত সামনের দিকে এগিয়েছিলো তার ফলে তার যেতে যত না দেরি হয়েছে তার চেয়ে অর্ধেক সময়ে সে প্রসাদের পৌঁছে গেছে তাকে দেখে তো প্রহরীরা অবাক রাকজন্যা বাইরে কখন গেলো আর কিভাবেই গেলো এই চিন্তায়ই মগ্ন সবাই
প্রাসাদে এতক্ষন জানা জানি হয়ে গেছে যে রাজকন্যা এতক্ষন প্রসাদে ছিলো না বরং বাইরে ছিলো
রাজকন্যা প্রসাদে প্রবেশ করেছে তার লম্বা চুল গুলো কোকরানো চোখ দুটো লাল দাত গুলো ইতি মধ্যেই ভেতরে ঢুকে গেছে তাই দাস দাসিরা এটা বুঝতে পারেনি তবে তারা সন্দেহ করছে যে রাজ কন্যার সাথে ভালো মান্দ কিছু তো একটা হয়েছেই নাহলে সে তো এত অগছালো থাকে না। নীলিমা ছোট বেলা থেকে পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন প্রকৃতির