জীবন ক্ষয়ে যায়।
সময়ের নিজ দায়িত্বে জীবন ক্ষয়ে যায়।
গানের মাঝে, গল্পের মাঝে, চায়ের দোকানে ঝগড়ার মাঝে,
বাস-কন্ডাক্টর এর সাথে তর্কাতর্কি তে জীবন ক্ষয়ে যায়।
আমাদের দৈনন্দিন কাজগুলোর ভেতর দিয়ে জীবন ক্ষয়ে যায়।
রাতের ক্লান্তি আর বিষন্নতার পরে কোলাহলময় সকাল আসে।
আমরা দৌড়াই, জীবন ক্ষয়ে যায়।
এর মাঝে কোথায় যেন এক শূণ্যতা বিরাজ করে।
কিসের শূণ্যতা? আমি বোধ করি এই শূণ্যতা আমাদের নিজেদের।
এসবকিছুর মাঝেই আমরা নিজেদের হারাই; নিজেদের চিন্তা হারাই।
অথচ জীবনের সবকিছু নিয়েই তো এক একটা মানুষ তৈরি হয়।
তাহলে যে শূণ্যতা অনুভব করি, তার জায়গাটাই বা কোথায়?
আমি না বুঝিনা আমি কি চিন্তা করি, ইদানীং একেবারেই মাথায় আসেনা।
এতো বিচ্ছিন্ন ভাবনা!
এটাও বুঝি যে আমার মস্তিষ্কে এক অদ্ভুত নিরবতা কাজ করে।
বাহ্যিক সকল শব্দ, দৈনন্দিন সকল তাড়াহুড়োই সেই স্রোতের মাঝে বাধ হয়ে দাঁড়ায়।
এক অসহ্যকর ঝড় তৈরি হয়; ঝড় তৈরি হয় ঠিক ই,
অথচ সেই নিরবতার পরিচয় ই জানা হয়ে ওঠে না।
আমি চেয়ে থাকি কোনো এক দিকে, তা না জেনে যে কোনদিকে চেয়ে আছি।
আমি ভাবি কিছু একটা অথবা হাজারটা কিছু নিয়ে যার সমাপ্তির পর,
আমি নিজেই জানি না কি ভাবলাম, কি নিয়ে চিন্তা করলাম।
অথচ সময় ঠিক ই চলে গেল, জীবন ঠিক ই ক্ষয়ে গেল!