মানুষ হাঁটে ধুলো ছুঁয়ে, অথচ ধুলো বোঝে না,
তাদের দেহে জেগে থাকে না আত্মার ছায়া।
শুধু বেঁচে থাকা, একটা অভ্যাস,
তারা অভ্যাসকেই বলে জীবন।
মানুষ কখনোই জানেনি,
দেহ এক আশ্চর্য শস্যক্ষেত,
যেখানে আল্লাহ্ বুনে রেখেছেন নিঃশব্দ ধ্বনি,
পাঁজরের আড়ালে শিরায় উপশিরায় এক গোপন আয়াতের সুর।
আহ্, কত স্নিগ্ধ সেই চোখ,
যা একদিন এক বালক দেখে ঘুমের ধ্যানে,
তার বুকে নেমেছিল অদৃশ্য রশ্মি,
খুব কম মানুষেই দেখেছে,
তার চামড়ার নিচে রক্ত নয়,
বাহির হচ্ছিলো আশ্চর্য আহবান,
প্রতিটি নিঃশ্বাসে স্রষ্টার জিকির।
এদিকে এক একলা বাউল ঘুমঘোরে শুনতে পায়,
কেউ একজন তাকে নাম ধরে ডেকে বলে,
ফাবিআইয়ি আলা ই রাব্বিকুমা তুকাজজিবান।
ধড়ফড়িয়ে উঠে বাউল। হতচকিত চোখে চারদিক দেখে।
তারপর আকাশের দিকে তাকিয়ে মাঝরাতের নিস্তব্ধতাকে
খান খান করে ভেঙ্গে আল্লাহ্, আল্লাহ্ বলে কাঁদতে থাকে।
(কবিতাটি আমার লেখা নিষিদ্ধ হয়েছিল আমার বন্ধু কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া)