বিরক্তি, শূণ্যতা, সামান্য প্রাণবন্ততা এবং
সে উচ্ছ্বাস এর পরের হাহাকার নিয়ে ভাবছি,
পরাণ এর শূণ্যস্থানগুলো কিভাবে পূরণ হয়,
কি দিয়ে পূরণ হয় আর উচ্ছ্বাসেরা পুরানা কেন হয়।
যে শিশু যে বস্তু পেয়ে গেলে আর চায় না,
যে খেলনা সে না পেলে চায়,
দুটো যদি এক ই হয়,
তবে আকাঙ্ক্ষার গুরুত্ব আর বস্তর আশ্রয় কোথায়?
সে শিশু বেড়ে ওঠে;
প্রকৃতির হাত ধরে পৌঁছে যায় কোথাও না কোথাও।
হাজার ক্ষত সৃষ্টি করে, হাজার জখমের শিকার হয়ে,
নিবিড় স্তব্ধতা পাড়ি দিয়ে সে পৌঁছে যায় কোনো কোলাহলে।
সেই গন্তব্যে পৌছাতে যা কিছু সে ছুড়ে ফেলে,
যত শূণ্যস্থান, যত রক্ত সে ঝড়ায়,
যা কিছু পদতলে ফেলে ভর দিয়ে শিশুর জীবন বাড়ে,
সেসবকিছুর, সেসকলের স্থান হয় দরজার কোণায় তারপর নর্দমায়।
এক হৃদয় হাহাকার নিয়ে সে মনস্থির করে ভাবে,
সে নিজেই শিশু, নিজেই খেলনা।
সে ছুড়ে ফেলে, সে ছুটে চলে কোনো এক গন্তব্যে,
সে হোক না কোনো নর্দমা, হোক না পৃথিবীর পারে অথবা কোনো কোলাহলে।