সুদীর্ঘ পথে হেঁটে, নির্বোধ আমি আজও বেঁচে আছি —
এক যান্ত্রিকতায়।
আকস্মিক তীব্র বেদনা আজও কৃত্রিম হাসিতে লুকিয়ে।
কী হারিয়েছি আমি?
যা হারিয়েছি, তা কি হারানোর নয়?
কী মেনে নিতে পারছি না —
পৃথিবীর অনাকাঙ্ক্ষিত সত্য?
সবাই মেনে নিতে পেরেছে, আমি কেন পারব না?
তবে কি আমি চন্দ্রের মতো দুর্বল?
গন্তব্যে ফিরব বলে বেরিয়ে,
আজ আমি গন্তব্যহীন — অতীত নামের বর্তমানে বন্দি।
যার শেষ পরিণতি সেই অনাকাঙ্ক্ষিত সত্য।
হঠাৎ একদিন জাগল প্রশ্ন,
হৃদয়ে লাগল দোলা —
সত্য বরণ করব বটে, তবে বিজয়ের বেশে,
পৃথিবীর বুকে নিজেকে সার্থক করে।
অর্পিত দায়িত্বকে পূর্ণতা দিয়ে
বরণ করব অমর সত্য —
যে সত্যকে অস্বীকার করে না
স্বয়ং কাফির পর্যন্ত।
আজ আমি বলি তাদের,
যারা অতীতের বর্তমানে বন্দি —
বেরিয়ে আয়, ছিঁড়ে অতীতের গণ্ডি।
চল সবে, সকল বিষাদ-বেদনা ভুলে,
বাঁচি নতুন করে বসুন্ধরার বুকে।
“কে বলে সে আর নেই?
আমি তো বলি — যাত্রা তার অমরত্বের পথে।”