দেখবেন, জন্ম-মৃত্যুদিনে শহুরে এলিট শ্রেণি লালনকে নিয়ে ধুমধাম পোস্ট দেন । এইটা হলো এলিট বাউলিয়ানা । মূলত হিপোক্রেসি!
লালন দর্শন এরা বোঝে, কিন্তু সেইসব কিছুই মানতে আগ্রহ নাই তাদের । বরং আড়ালে-পেছনে বাউল, ফকির, দরবেশ শ্রেণিকে এরা মূর্খ বলে গালিগালাজ করে! তবে যেসব বাউল, ফকির, দরবেশ কর্পোরেটচক্রে ঢুকে পড়েছে, এরা কেবলমাত্র তাদের গান শোনে । ডিসকো সেটআপে বাউল গান, মরমি গান করে । সহজিয়া জীবনের খোঁজ তারা করে না, কামনাও করে না ।
লালনকে লালনের মতো রাখা জরুরি! জরুরি এই কারণে, এলিটিজমের বাইরের লালনই মূলত গণমানুষের মনে মানবিক বোধ তৈরি করতে সক্ষম । এলিট বাউলিয়ানার লালন মিস ইনফরমেশন রিলে করে । এই কালচারটা মূলত সহজ-সরল জীবনবোধের সৌন্দর্য্য ম্লান করে, অবসর সময় কাটানোর উছিলা হিসেবে লালনকে সামনে হাজির করে । এইভাবেই লালন দিন দিন দুর্বল হচ্ছে সমাজে, জীবনে!
লালনকে উদযাপন করতে হবে, প্রকৃতির মাঝে- পথে, ঘাটে, মাঠে, কর্পোরেটাচ্ছন্ন পুঁজিবাদের বাইরের সহজ-সরল জীবনবোধে । পুনশ্চ, লালনকে লালনের মতো রাখা জরুরি!